মাদক সম্রাট হিরা মানিকের জন্য জেলাখানা ছিলো আয়েশী জীবন
দক্ষিনাঞ্চলের মাদক সম্রাট হিরা মাঝি ও হিরা মাঝির ওস্তাদ মাদক সম্রাট মানিক মাঝি,তাদের সেল্টারদাতা চাচা সাংবাদিক ও মাদকের সহযোগিরা, পাইকারি খুচরা ও ডিলারগণ তাদের বিষয়ে প্রশাসন কি ব্যবস্থা নিবেন ?
দির্ঘ তিন যুগ ধরে এই মাদকের টাকায় শত কোটি টাকা,জমি,ফ্লাট গাড়ী বাড়ি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়েছে !
সুত্র জানায়, গতবছর হিরা মাঝি ও মানিক মাঝিকে পুলিশ গ্রেফতার করেছিল। আদালত তপদের জেল খানায় পাঠায় ।
জেলা খানার একাধিক সুত্র জানায়, হিরা মাঝি জেলার ও জেলসুপারের রুমে এসি , এলইডি টিভি,এবং কয়েদিদের জন্য ৬৫ টি বৈদ্যুতিক পাখা লাগিয়ে দেন। এবং জেলখানায় হিরা মাঝির জন্য শীতাতপ নিয়ন্ত্রীত রুমের ব্যবস্থা করা হয়। সকালের নাস্তা দুপুরের খাবার ও রাতের খাবার বাহির থেকে এনে দেয়া হতো!
আওয়ামীলীগ সময়ে আওয়ামীলীগের ১৫ আগস্ট র কাঙ্গালী ভোজে ১৪ টি গরু, খাশি দিয়ে কাঙ্গালী ভোজের আয়োজন ছিল সবার মুখে মুখে। এছাড়া প্রতিটি অনুষ্ঠানে ও দলীয় প্রোগ্রামে তাদের অনুদান ছিল সবার উপড়ে ।
একাথিক সুত্র জানায়, থানার মাঝি থেকে কনস্টেবল,দারোগা ওসি র্যাব সদস্য,ডিবি সদস্য,মাদত নিয়ন্ত্রন অফিসের পিয়ন থেকে অফিসার ,সাংবাদিক ,নেতা ,জনপ্রতিনিধি, আইনজীবি ,আদালতের জিআরও প্নি কোর্ট ইন্সপেক্টর সহ বিভিন্ন জনে জনে ও প্রত্যেকের জন্য আলাদা আলাদা মাসিক সাপ্তাহিক বরাদ্ধ ছিল ! যে কারনে গৌরনদী থানার প্রতিজন ওসি প্রত্যাহার হয়েছেন । দারোগারা গৌরনদী থানায় আসার জন্য পুলিশের ওপড় মহলে তদবির করে আসেন। আসলে আর কেউ এখান থেকে যেতে চান না ! যে কারনে মাদক ব্যবসা বন্ধ হচ্ছেনা কখনো বন্ধ হবে না ।
হিরা মাঝি মানিক মাঝিদের হাত ধরে ও ব্যবসার দন্দে এবং পট পরিবর্তনের সাথে সাথে বিক্রেতা বেড়েছে !
উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক ফরহাদ মুন্সির বার্থীতে অস্থিত এলাহী অটো রাইচ মিলে ইয়াবা তৈরীর কারখানা আবিস্কার করেছিল র্যাব । এক অভিযানে ইয়াবা তৈরীর মেশিন উদ্থার ও তিনজনকে গ্রেফতার করেছিল র্যাব ।
২৪ র ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পালানোর সাথে সাথে খেলা জমে যায় উপজেলার কটকস্থলে ! কে কার আগে হিরা মানিকের সাথে যোগাযোগ করতে পারে ,আর ধান্দা ধরতে পারে। ওইদিন থেকে বিএনপির বিভিন্ন পদ বহন করা ছোট থেকে মাঝ্রী ও বিগ নেতারা দফায় দফায় সুযোগ সুবিধা নিয়েছেন বলে ঢের গুঞ্জণ ওঠে। লক্ষ লক্ষ টাকা মটরসাইকেলসহ নানা উপঢৌকন সুবিধা নেয়ার। যে কারনে মঞ্চে বক্তিতায় সাবেক এমপি ও বর্তমান বিএনপির দলীয় প্রার্থী এম জহির উদ্দিন স্বপন বার বার বলেছেন মাদকের সাথে যে সকল নেতা কর্মি জড়াবেন,তাদের ছাড় দেয়া হবে না বলে তাদের হুশিয়ার করে দেন । তবুও যেনো লাগামহীন ঘোড়া কিছু নেতা কর্মি !
বর্তমানে নতুন নতুন বিক্রেতা বেড়েছে, তারা বিএনপির নাম ও দল ব্যবহার করেও অনেকে মাদক ব্যবসা করছেন বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিৎ করেছেন ।
সাধারন নাগরিকদের প্রশ্ন , মাদক ও মাদক বিক্রেতাদের লাগাম টানা যাবেনা কোনো দিন ? এর থেকে আগামী প্রজম্মদের বাচানোর কোনো উপায় নেই ?




















