১২:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬

মাগুরা উপজেলায় জমি দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ

সুবির ঘোষ,মাগুরা : মাগুরা সদর উপজেলার মঘী ইউনিয়নের কেচুয়াডুবি গ্রামে চাঁদাবাজী হয়রানী ও ভূমি দখলদারী থেকে প্রতিকার পাওয়ার প্রসঙ্গে লিখিত অভিযোগ পত্র এমপি ও সেনাবাহিনীর কাছে প্রেরণ করেছেন আইনজীবীর সহকারী মোঃ আলাউদ্দিন।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মাগুরা ক্যাম্প ও মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য এমপি বরাবর অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চাঁদাবাজী হয়রানী ও ভূমি দখলদারী থেকে প্রতিকার পাওয়ার প্রসঙ্গে লিখিত অভিযোগ পত্র প্রেরণ।

গত ২৮ মার্চ ২০২৬ তারিখে মোঃ আলাউদ্দিন (৪০), পিতা- মৃত শাহাদৎ সানা, সাং- কেচুয়াডুবি, থানা- মাগুরা সদর, জেলা- মাগুরা। অভিযোগ দায়ের করিতেছি যে, মোঃ নুরুল ইসলাম, পিতা- করিম মোল্যা, সাং- কেচুয়াডুবি, থানা- মাগুরা সদর, জেলা- মাগুরা এর উষ্কানি ও ইন্দোনে আসামী-১। মোঃ সবুজ মিয়া, পিতা- মনু মিয়া, ২। মনু মিয়া, পিতা- অজ্ঞাত, উভয় সাং- কেচুয়াডুবি, ৩। হাবিব, পিতা- সামাদ শেখ ৪। মেরাজ, পিতা- ইউনুচ শিকদার, ৫। রবিউল, পিতা- ফুল মিয়া, সর্ব সাং- টিলা, সর্ব থানা- মাগুরা সদর, জেলা- মাগুরাগণ আমার নিকট অনেক পূর্ব হতে ২,০০,০০০/- (দুই লক্ষ) চাঁদা দাবী করে আসতেছিল। পরবর্তীতে আমি অনেক কষ্ট করে ৪০,০০০/-টাকা চাঁদা স্বরুপ ৩ নং আসামীর হাতে প্রদান করি। অতঃপর আসামীরা সহ আরও অজ্ঞাত নামা আসামীরা গত ইং ১৩/০২/২০২৬ তারিখে সকাল অনুমান ৯ টার দিকে আমার বসতবাড়ীতে অনধিকার প্রবেশ করে আমার নিকট চাঁদার বাকী ১,৬০,০০০/-টাকা চাঁদা দাবী করে। আমি আসামীদের চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকার করলে আসামীরা আমার উঠানের পাশে পড়ে থাকা বাঁশের লাঠি দিয়ে আমাকে বেধড়ক মারপিট করে ফোলা বেদনাযুক্ত জখম করে। আমি চিৎকার করলে ঘর থেকে আমার বৃদ্ধ মাতা আমেনা বেগম ঘর হতে বের হয়ে এসে মার ঠেকাতে গেলে আমার মাতাকে প্রচন্ড মারপিট করে ফোলা বেদনাযুক্ত জখম করে। অতঃপর আমার মাথার চুল ধরে তাদের কাছে থাকা ৪টি ১০০/-টাকা ও ১ টি ৫০/- টাকার নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে সহি স্বাক্ষর করতে বললে আমি অস্বীকার করলে পুনরায় সকল আসামীরা আমাকে মারপিট করে। তখন আমি প্রাণ ভয়ে উক্ত ৪টি ১০০/-টাকা ও ১ টি ৫০/- টাকার নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে সহি স্বাক্ষর করে দেই। অতঃপর আসামীরা আমাকে ফেলে রেখে চলে যায়। এরপর গত ইং ১৪/০২/২০২৬ তারিখে সকাল অনুমান ১০ টার দিকে আসামীরা সহ আরও অতিরিক্ত আসামী- ১। আশুতোষ (৫০), পিতা- অনিল কুমার, ২। অনিল কুমার (৬৫), ৩। মনি কুমার (৬০), উভয় পিতা- হরেকৃষ্ণ বিশ্বাস, ৪। রবিন কুমার (৫০), পিতা- নিমাই, ৫। স্বরজিৎ (৫০), পিতা- মৃত নগেন, ৬। আশরাফ (৫৫), পিতা- অজ্ঞাত, সর্ব সাং- কেচুয়াডুবি, থানা- মাগুরা সদর, জেলা- মাগুরাগণ আমার নিম্নতপশীল বর্ণিত সম্পত্তি যাহা খরিদ সূত্রে প্রাপ্ত জমিতে চাষাবাদ করে ধান রোপন করতে গেলে উক্ত আসামীরা সহ অতিরিক্ত তাদের ভাড়াটিয়া লোকজন সহ অজ্ঞাত নামা লোকজন নিয়ে আমাকে উক্ত জমিতে প্রবেশ করতে দেয় না এবং চাষাবাদ করতে দেয় না এবং বিশ্রি ভাষায় গালিগালাজ করে আমাকে উক্ত জমি থেকে বের করে দেয়। আসামীরা তাহাদের ক্ষমতার প্রভাব দেখায়ে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে উক্ত সম্পত্তি জবরদখল করে নিয়েছে। আসামীরা প্রকাশ্যে বলে বেড়াচ্ছে যে, আমি আসামীদের দাবীকৃত চাঁদার টাকা না দিলে আমাকে খুন করে ফেলবে। তারই ফলশ্রুতিতে আমি মাগুরা শহরে বাসা ভাড়া করে অসহায় অবস্থায় মানবেতর জীবন যাপন করছি।

বর্নিত সম্পত্তি আসামীদের কবল হইতে উদ্ধার এবং আমাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও মিথ্যা দ্বারা ফাঁসাইতে না পারে তার বিহীত ব্যবস্থা গ্রহন করতে মর্জি হয়।

তপশীল সম্পত্তিঃ
থানা মাগুরা সদর ও জেলা মাগুরার অধিন এস,এ ১৬১ নং ও আর. এস ১৩৪ নং কেচুয়াডুবি মৌজার
জমি।
আর.এস দাগ ২৩৬৪, জমির পরিমান ৩২ শতক

মঙ্গলবার ২৮ এপ্রিল কেচুয়াডুবি পূর্বপাড়ায় আলাউদ্দিনের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় বাড়ির ভিতর ভুতড়ে বাড়ি হয়ে গেছে কলাগাছ থেকে কলা চুরি, কবুতর, হাঁস মুরগী, গরু, ছাগল, পুকুর থেকে মাছ, মাল্টা, লিচু, লেবু, পানির মটর পাম্প, জমির ধান কাটা সহ সবকিছুই চুরি ও হরিলুট হয়ে গেছে। স্থানীয় গ্রামের হিন্দু ধর্মের লোকজন জানায় আলাউদ্দিন ভালো মনের মানুষ আমাদের সাথে তার কোন শত্রুতা নেই আমরা মিলেমিশে একসাথে বসবাস করছি। আলাউদ্দিন মানুষের বিপদে আপদে ছুটে আসে তবে আমরা দেখেছি ও শুনেছি পশ্চিমপাড়ার নুর ইসলাম, সবুজ ও মনু মিয়ার সাথে তার কোন ঝামেলা হতে পারে।

সবুজের পিতা মনু মিয়া বলেন, আমার ছেলে সবুজ মেয়েলি সমস্যায় পড়ার কারণে আলাউদ্দিনের কাছে কেস ঠেকাতে বিভিন্ন সময় অল্প অল্প করে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা দিয়েছি। আলাউদ্দিন আমার সমস্ত টাকা মেরে দিয়েছে শালিসির মাধ্যমে আমাকে এখন ৪০ হাজার টাকা দিলে আমি বাকি ১ লাখ টাকার দাবি ছেড়ে দিব।
বিএনপি নেতা নুর ইসলামের সাথে ফোনে কথা হলে সে জানায় তার ছেলে অসুস্থ সে এখন যশোর আছে।

এবিষয়ে ভুক্তভোগী আলাউদ্দিন বলেন, আজ প্রায় দুইমাস পরিবারসহ বাড়ি ছাড়া নুর ইসলাম, সবুজ, মনু মিয়া সহ আরও বেশকিছু লোকজন আমাকে জীবননাশের হুমকি ধামকি ও চাঁদা দাবি করছে। আমার কাছে ৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছে উক্ত টাকা আমি দেয়নি বলে তারা আমাকে প্রাণে হত্যার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হলে আমি পরিবার সহ পালিয়ে এসেছি। এদিকে আমার অনুপস্থিতিতে তারা আমার মাঠের জমির ধান কেটে নিয়ে গেছে আর আমার বাড়ি ঘরের সমস্ত কিছু চুরি করে নিয়ে গেছে যার ক্ষতির পরিমাণ ৭-৮ লাখ টাকা। আমি ইতিমধ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মাগুরা ক্যাম্প ও মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য এমপি মনোয়ার হোসেন খানের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। আমি আইনের মাধ্যমে বিচার দাবি করি ও বাড়ি ফিরে যেতে চাই।

গতকাল সরেজমিনে ছয়চার গ্রাম ও কাটাখালী বাজার থেকে বেশ কয়েকজন মাতব্বররা আলাউদ্দিনের বাড়িতে যান ও স্থানীয় গ্রামের লোকজনের সাথে কথা বলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন:

আপডেট সময় ০৮:৫০:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬
৪০ বার পড়া হয়েছে

মাগুরা উপজেলায় জমি দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ

আপডেট সময় ০৮:৫০:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

সুবির ঘোষ,মাগুরা : মাগুরা সদর উপজেলার মঘী ইউনিয়নের কেচুয়াডুবি গ্রামে চাঁদাবাজী হয়রানী ও ভূমি দখলদারী থেকে প্রতিকার পাওয়ার প্রসঙ্গে লিখিত অভিযোগ পত্র এমপি ও সেনাবাহিনীর কাছে প্রেরণ করেছেন আইনজীবীর সহকারী মোঃ আলাউদ্দিন।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মাগুরা ক্যাম্প ও মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য এমপি বরাবর অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চাঁদাবাজী হয়রানী ও ভূমি দখলদারী থেকে প্রতিকার পাওয়ার প্রসঙ্গে লিখিত অভিযোগ পত্র প্রেরণ।

গত ২৮ মার্চ ২০২৬ তারিখে মোঃ আলাউদ্দিন (৪০), পিতা- মৃত শাহাদৎ সানা, সাং- কেচুয়াডুবি, থানা- মাগুরা সদর, জেলা- মাগুরা। অভিযোগ দায়ের করিতেছি যে, মোঃ নুরুল ইসলাম, পিতা- করিম মোল্যা, সাং- কেচুয়াডুবি, থানা- মাগুরা সদর, জেলা- মাগুরা এর উষ্কানি ও ইন্দোনে আসামী-১। মোঃ সবুজ মিয়া, পিতা- মনু মিয়া, ২। মনু মিয়া, পিতা- অজ্ঞাত, উভয় সাং- কেচুয়াডুবি, ৩। হাবিব, পিতা- সামাদ শেখ ৪। মেরাজ, পিতা- ইউনুচ শিকদার, ৫। রবিউল, পিতা- ফুল মিয়া, সর্ব সাং- টিলা, সর্ব থানা- মাগুরা সদর, জেলা- মাগুরাগণ আমার নিকট অনেক পূর্ব হতে ২,০০,০০০/- (দুই লক্ষ) চাঁদা দাবী করে আসতেছিল। পরবর্তীতে আমি অনেক কষ্ট করে ৪০,০০০/-টাকা চাঁদা স্বরুপ ৩ নং আসামীর হাতে প্রদান করি। অতঃপর আসামীরা সহ আরও অজ্ঞাত নামা আসামীরা গত ইং ১৩/০২/২০২৬ তারিখে সকাল অনুমান ৯ টার দিকে আমার বসতবাড়ীতে অনধিকার প্রবেশ করে আমার নিকট চাঁদার বাকী ১,৬০,০০০/-টাকা চাঁদা দাবী করে। আমি আসামীদের চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকার করলে আসামীরা আমার উঠানের পাশে পড়ে থাকা বাঁশের লাঠি দিয়ে আমাকে বেধড়ক মারপিট করে ফোলা বেদনাযুক্ত জখম করে। আমি চিৎকার করলে ঘর থেকে আমার বৃদ্ধ মাতা আমেনা বেগম ঘর হতে বের হয়ে এসে মার ঠেকাতে গেলে আমার মাতাকে প্রচন্ড মারপিট করে ফোলা বেদনাযুক্ত জখম করে। অতঃপর আমার মাথার চুল ধরে তাদের কাছে থাকা ৪টি ১০০/-টাকা ও ১ টি ৫০/- টাকার নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে সহি স্বাক্ষর করতে বললে আমি অস্বীকার করলে পুনরায় সকল আসামীরা আমাকে মারপিট করে। তখন আমি প্রাণ ভয়ে উক্ত ৪টি ১০০/-টাকা ও ১ টি ৫০/- টাকার নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে সহি স্বাক্ষর করে দেই। অতঃপর আসামীরা আমাকে ফেলে রেখে চলে যায়। এরপর গত ইং ১৪/০২/২০২৬ তারিখে সকাল অনুমান ১০ টার দিকে আসামীরা সহ আরও অতিরিক্ত আসামী- ১। আশুতোষ (৫০), পিতা- অনিল কুমার, ২। অনিল কুমার (৬৫), ৩। মনি কুমার (৬০), উভয় পিতা- হরেকৃষ্ণ বিশ্বাস, ৪। রবিন কুমার (৫০), পিতা- নিমাই, ৫। স্বরজিৎ (৫০), পিতা- মৃত নগেন, ৬। আশরাফ (৫৫), পিতা- অজ্ঞাত, সর্ব সাং- কেচুয়াডুবি, থানা- মাগুরা সদর, জেলা- মাগুরাগণ আমার নিম্নতপশীল বর্ণিত সম্পত্তি যাহা খরিদ সূত্রে প্রাপ্ত জমিতে চাষাবাদ করে ধান রোপন করতে গেলে উক্ত আসামীরা সহ অতিরিক্ত তাদের ভাড়াটিয়া লোকজন সহ অজ্ঞাত নামা লোকজন নিয়ে আমাকে উক্ত জমিতে প্রবেশ করতে দেয় না এবং চাষাবাদ করতে দেয় না এবং বিশ্রি ভাষায় গালিগালাজ করে আমাকে উক্ত জমি থেকে বের করে দেয়। আসামীরা তাহাদের ক্ষমতার প্রভাব দেখায়ে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে উক্ত সম্পত্তি জবরদখল করে নিয়েছে। আসামীরা প্রকাশ্যে বলে বেড়াচ্ছে যে, আমি আসামীদের দাবীকৃত চাঁদার টাকা না দিলে আমাকে খুন করে ফেলবে। তারই ফলশ্রুতিতে আমি মাগুরা শহরে বাসা ভাড়া করে অসহায় অবস্থায় মানবেতর জীবন যাপন করছি।

বর্নিত সম্পত্তি আসামীদের কবল হইতে উদ্ধার এবং আমাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও মিথ্যা দ্বারা ফাঁসাইতে না পারে তার বিহীত ব্যবস্থা গ্রহন করতে মর্জি হয়।

তপশীল সম্পত্তিঃ
থানা মাগুরা সদর ও জেলা মাগুরার অধিন এস,এ ১৬১ নং ও আর. এস ১৩৪ নং কেচুয়াডুবি মৌজার
জমি।
আর.এস দাগ ২৩৬৪, জমির পরিমান ৩২ শতক

মঙ্গলবার ২৮ এপ্রিল কেচুয়াডুবি পূর্বপাড়ায় আলাউদ্দিনের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় বাড়ির ভিতর ভুতড়ে বাড়ি হয়ে গেছে কলাগাছ থেকে কলা চুরি, কবুতর, হাঁস মুরগী, গরু, ছাগল, পুকুর থেকে মাছ, মাল্টা, লিচু, লেবু, পানির মটর পাম্প, জমির ধান কাটা সহ সবকিছুই চুরি ও হরিলুট হয়ে গেছে। স্থানীয় গ্রামের হিন্দু ধর্মের লোকজন জানায় আলাউদ্দিন ভালো মনের মানুষ আমাদের সাথে তার কোন শত্রুতা নেই আমরা মিলেমিশে একসাথে বসবাস করছি। আলাউদ্দিন মানুষের বিপদে আপদে ছুটে আসে তবে আমরা দেখেছি ও শুনেছি পশ্চিমপাড়ার নুর ইসলাম, সবুজ ও মনু মিয়ার সাথে তার কোন ঝামেলা হতে পারে।

সবুজের পিতা মনু মিয়া বলেন, আমার ছেলে সবুজ মেয়েলি সমস্যায় পড়ার কারণে আলাউদ্দিনের কাছে কেস ঠেকাতে বিভিন্ন সময় অল্প অল্প করে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা দিয়েছি। আলাউদ্দিন আমার সমস্ত টাকা মেরে দিয়েছে শালিসির মাধ্যমে আমাকে এখন ৪০ হাজার টাকা দিলে আমি বাকি ১ লাখ টাকার দাবি ছেড়ে দিব।
বিএনপি নেতা নুর ইসলামের সাথে ফোনে কথা হলে সে জানায় তার ছেলে অসুস্থ সে এখন যশোর আছে।

এবিষয়ে ভুক্তভোগী আলাউদ্দিন বলেন, আজ প্রায় দুইমাস পরিবারসহ বাড়ি ছাড়া নুর ইসলাম, সবুজ, মনু মিয়া সহ আরও বেশকিছু লোকজন আমাকে জীবননাশের হুমকি ধামকি ও চাঁদা দাবি করছে। আমার কাছে ৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছে উক্ত টাকা আমি দেয়নি বলে তারা আমাকে প্রাণে হত্যার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হলে আমি পরিবার সহ পালিয়ে এসেছি। এদিকে আমার অনুপস্থিতিতে তারা আমার মাঠের জমির ধান কেটে নিয়ে গেছে আর আমার বাড়ি ঘরের সমস্ত কিছু চুরি করে নিয়ে গেছে যার ক্ষতির পরিমাণ ৭-৮ লাখ টাকা। আমি ইতিমধ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মাগুরা ক্যাম্প ও মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য এমপি মনোয়ার হোসেন খানের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। আমি আইনের মাধ্যমে বিচার দাবি করি ও বাড়ি ফিরে যেতে চাই।

গতকাল সরেজমিনে ছয়চার গ্রাম ও কাটাখালী বাজার থেকে বেশ কয়েকজন মাতব্বররা আলাউদ্দিনের বাড়িতে যান ও স্থানীয় গ্রামের লোকজনের সাথে কথা বলেন।