০২:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬

আগস্টে তফসিল, অক্টোবরে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি

নাসির উদ্দিন সৈকতঃ
দেশব্যাপী স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে প্রস্তুতি জোরদার করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী আগস্টের শেষ দিকে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে অক্টোবর মাসে প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে পারে।
সোমবার নির্বাচন কমিশনে অনুষ্ঠিত ঈদ পুনর্মিলনী সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন, নির্বাচন কমিশনারবৃন্দ এবং ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে প্রস্তুতির বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করেন। সভায় কর্মকর্তাদের দ্রুত নির্বাচনী প্রস্তুতি সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
নির্বাচন কমিশনের একাধিক সূত্র জানায়, চলতি জুন ও জুলাই মাসের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিধিমালা ও আচরণবিধি হালনাগাদের কাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এরপর সরকারের নির্দেশনা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নির্বাচন আয়োজনের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করবে কমিশন।
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাহমুদ বলেন, “অক্টোবরে নির্বাচন আয়োজন করতে হলে অন্তত দেড় মাস আগে তফসিল ঘোষণা করতে হবে। সরকারের নির্দেশনা পেলেই কমিশন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত রয়েছে।”
সভায় নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, জুন-জুলাইয়ের মধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে এবং আগস্ট থেকে নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু করতে হবে, যাতে সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে ভোটগ্রহণ সম্ভব হয়।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতোই সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। কোনোভাবেই নির্বাচনের মান কমানো যাবে না।
জানা গেছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রথম ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) ও পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। পরবর্তী ধাপে সিটি করপোরেশন এবং সর্বশেষ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। দেশের অধিকাংশ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি না থাকায় সব নির্বাচন সম্পন্ন করতে প্রায় ১০ থেকে ১২ মাস সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে স্থানীয় সরকার আইন সংশোধনের পর নতুন বিধিমালা ও আচরণবিধি প্রণয়নের কাজ চলছে। দলীয় প্রতীকের পরিবর্তে নির্দলীয় নির্বাচনের ব্যবস্থা কার্যকর করতে এসব পরিবর্তন আনা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন আগামী ১৫ জুনের মধ্যে খসড়া বিধিমালা ও আচরণবিধি জনমতের জন্য ওয়েবস

নিউজটি শেয়ার করুন:

আপডেট সময় ০১:১৬:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬
১২ বার পড়া হয়েছে

আগস্টে তফসিল, অক্টোবরে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি

আপডেট সময় ০১:১৬:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

নাসির উদ্দিন সৈকতঃ
দেশব্যাপী স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে প্রস্তুতি জোরদার করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী আগস্টের শেষ দিকে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে অক্টোবর মাসে প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে পারে।
সোমবার নির্বাচন কমিশনে অনুষ্ঠিত ঈদ পুনর্মিলনী সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন, নির্বাচন কমিশনারবৃন্দ এবং ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে প্রস্তুতির বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করেন। সভায় কর্মকর্তাদের দ্রুত নির্বাচনী প্রস্তুতি সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
নির্বাচন কমিশনের একাধিক সূত্র জানায়, চলতি জুন ও জুলাই মাসের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিধিমালা ও আচরণবিধি হালনাগাদের কাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এরপর সরকারের নির্দেশনা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নির্বাচন আয়োজনের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করবে কমিশন।
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাহমুদ বলেন, “অক্টোবরে নির্বাচন আয়োজন করতে হলে অন্তত দেড় মাস আগে তফসিল ঘোষণা করতে হবে। সরকারের নির্দেশনা পেলেই কমিশন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত রয়েছে।”
সভায় নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, জুন-জুলাইয়ের মধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে এবং আগস্ট থেকে নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু করতে হবে, যাতে সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে ভোটগ্রহণ সম্ভব হয়।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতোই সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। কোনোভাবেই নির্বাচনের মান কমানো যাবে না।
জানা গেছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রথম ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) ও পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। পরবর্তী ধাপে সিটি করপোরেশন এবং সর্বশেষ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। দেশের অধিকাংশ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি না থাকায় সব নির্বাচন সম্পন্ন করতে প্রায় ১০ থেকে ১২ মাস সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে স্থানীয় সরকার আইন সংশোধনের পর নতুন বিধিমালা ও আচরণবিধি প্রণয়নের কাজ চলছে। দলীয় প্রতীকের পরিবর্তে নির্দলীয় নির্বাচনের ব্যবস্থা কার্যকর করতে এসব পরিবর্তন আনা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন আগামী ১৫ জুনের মধ্যে খসড়া বিধিমালা ও আচরণবিধি জনমতের জন্য ওয়েবস