০৩:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

বৃক্ষ রোপনে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ,–প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নাসির উদ্দিন সৈকতঃ গৌরনদীতে প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন, আড়াই হাজার চারা রোপণের ঘোষণা

গৌরনদী (বরিশাল) প্রতিনিধি: বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর ইউনিয়নে নবখননকৃত সরিকল–বাটাজোর খালের তীরে নারিকেল ও নিম গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সফরে তিনি ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচিতেও অংশ নেন।

সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রী গৌরনদীতে পৌঁছালে বরিশালের প্রবেশদ্বার ভুরঘাটা থেকে বাটাজোর পর্যন্ত মহাসড়কের দুই পাশে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ তাকে শুভেচ্ছা জানান। পরে তিনি বাটাজোর ইউনিয়নের নবখননকৃত সরিকল–বাটাজোর খালের পাড়ে পৌঁছালে স্থানীয় বাসিন্দারা করতালি ও শুভেচ্ছায় তাকে স্বাগত জানান। প্রধানমন্ত্রীও হাত নেড়ে উপস্থিত জনতার শুভেচ্ছার জবাব দেন।

‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী একটি নারিকেল গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনিও একটি নিম গাছের চারা রোপণ করেন।

উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বৃক্ষরোপণ করলেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। আজ প্রায় আড়াই হাজার গাছের চারা রোপণ করা হবে। এসব গাছের পরিচর্যার দায়িত্বও আমাদের সবার।”

তিনি আরও বলেন, “একটি শিশু জন্ম নেওয়ার পর যেমন পরিবার তাকে স্নেহ-যত্নে বড় করে তোলে, ঠিক তেমনি প্রতিটি গাছের চারাকেও নিয়মিত পরিচর্যা করতে হবে। তাহলেই পরিবেশ রক্ষা ও সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য সফল হবে।”

পরে দেশ, জাতি ও পরিবেশের কল্যাণ কামনায় দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী বাটাজোরে আয়োজিত ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন। সেখানে তিনি উপকারভোগী পরিবারের নারী প্রধানদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন।

এটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম বরিশাল সফর। গৌরনদীর নির্ধারিত কর্মসূচি শেষ করে তিনি সড়কপথে বরিশাল শহরের উদ্দেশ্যে রওনা হন।

উল্লেখ্য, বাটাজোর বাজারসংলগ্ন সরিকল–বাটাজোর খালটি স্থানীয়ভাবে ‘বাটাজোর খাল’ নামে পরিচিত। খালটি বাজারের পূর্ব পাশে সরিকল নদীর সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে মিয়ারচর নদীতে গিয়ে মিলিত হয়েছে। সম্প্রতি খালটি পুনঃখনন করা হয়েছে, যা এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসন, কৃষি, নৌ-যোগাযোগ এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে স্থানীয়দের প্রত্যাশা।

নিউজটি শেয়ার করুন:

আপডেট সময় ০১:০২:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
৭ বার পড়া হয়েছে

বৃক্ষ রোপনে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ,–প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আপডেট সময় ০১:০২:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

নাসির উদ্দিন সৈকতঃ গৌরনদীতে প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন, আড়াই হাজার চারা রোপণের ঘোষণা

গৌরনদী (বরিশাল) প্রতিনিধি: বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর ইউনিয়নে নবখননকৃত সরিকল–বাটাজোর খালের তীরে নারিকেল ও নিম গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সফরে তিনি ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচিতেও অংশ নেন।

সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রী গৌরনদীতে পৌঁছালে বরিশালের প্রবেশদ্বার ভুরঘাটা থেকে বাটাজোর পর্যন্ত মহাসড়কের দুই পাশে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ তাকে শুভেচ্ছা জানান। পরে তিনি বাটাজোর ইউনিয়নের নবখননকৃত সরিকল–বাটাজোর খালের পাড়ে পৌঁছালে স্থানীয় বাসিন্দারা করতালি ও শুভেচ্ছায় তাকে স্বাগত জানান। প্রধানমন্ত্রীও হাত নেড়ে উপস্থিত জনতার শুভেচ্ছার জবাব দেন।

‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী একটি নারিকেল গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনিও একটি নিম গাছের চারা রোপণ করেন।

উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বৃক্ষরোপণ করলেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। আজ প্রায় আড়াই হাজার গাছের চারা রোপণ করা হবে। এসব গাছের পরিচর্যার দায়িত্বও আমাদের সবার।”

তিনি আরও বলেন, “একটি শিশু জন্ম নেওয়ার পর যেমন পরিবার তাকে স্নেহ-যত্নে বড় করে তোলে, ঠিক তেমনি প্রতিটি গাছের চারাকেও নিয়মিত পরিচর্যা করতে হবে। তাহলেই পরিবেশ রক্ষা ও সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য সফল হবে।”

পরে দেশ, জাতি ও পরিবেশের কল্যাণ কামনায় দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী বাটাজোরে আয়োজিত ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন। সেখানে তিনি উপকারভোগী পরিবারের নারী প্রধানদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন।

এটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম বরিশাল সফর। গৌরনদীর নির্ধারিত কর্মসূচি শেষ করে তিনি সড়কপথে বরিশাল শহরের উদ্দেশ্যে রওনা হন।

উল্লেখ্য, বাটাজোর বাজারসংলগ্ন সরিকল–বাটাজোর খালটি স্থানীয়ভাবে ‘বাটাজোর খাল’ নামে পরিচিত। খালটি বাজারের পূর্ব পাশে সরিকল নদীর সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে মিয়ারচর নদীতে গিয়ে মিলিত হয়েছে। সম্প্রতি খালটি পুনঃখনন করা হয়েছে, যা এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসন, কৃষি, নৌ-যোগাযোগ এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে স্থানীয়দের প্রত্যাশা।