মুন্সি শহিদুর রহমান বিএম কলেজ বিলুপ্তর চেষ্টা
বিশেষ প্রতিনিধি,মাগুরাঃ
মাগুরা শালিখা উপজেলা আড়পাড়া ইউনিয়নের চুকিনগর মুন্সী শহিদুর রহমান বি,এম কলেজ বিলুপ্তর চেষ্টা ও মিথ্যা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তিব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন অধ্যক্ষ মুন্সি কামরুজ্জামান নবাব সহ এলাকাবাসী। কলেজটি কে থমকে দেওয়ার জন্য পাঁয়তারা করছে ও কতিপয় ষড়যন্ত্রকারীরা।
অধ্যক্ষ বলেন,মূলত, এই কলেজটি স্থাপিত হয় ২০১৩ সালে।২০১৭সালে অনুমতি পায়। কলেজটির কোড নাম্বার ৩১০৬৯, Eiin নং, ১৩৮৫০৮,। এছাড়া ২০২৫-২৬ সাল পর্যন্ত অ্যাপিলেশান ফি পরিশোধ আছে। ২০১৮ সাল থেকে প্রতিবছর ছাত্র-ছাত্রীরা পরীক্ষা দেয়। কলেজের নামে জমি আছে 50 শতক। ঘর আছে দুইটা। দক্ষিণ পাশের পাকা ঘরটিতে অধ্যক্ষের ও স্টাফদের রুম ও ক্লাস হয়। পশ্চিম পাশে লম্বা টিনের ঘরে ক্লাস হয়। ২০২৩ সালে এই কলেজ থেকে কুমোর কোটা গ্রামের জান্নাত খাতুন বিএম শাখা থেকে গোল্ডেন জিপিএ 5 পেয়ে জেলা থেকে প্রথম পুরস্কার পেয়েছিল। সম্প্রতি কলেজে সরকারিভাবে বিল্ডিং এর জন্য দেড় কোটি টাকা বরাদ্দ হওয়ার পর ষড়যন্ত্রকারীরা বিভিন্ন অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে। শালিখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর হাসান চৌধুরী বলেন, আমি খোঁজখবর নিয়েছি এবং কলেজটির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঠিক আছে।
স্থানীয়রা জানান এই কলেজকে নিয়ে কিছু কুচক্রী মহল ব্যাপকভাবে ষড়যন্ত্র করছে। যাতে কলেজটি দ্রুত বন্ধ হয়ে যায় কারণ কলেজটি বন্ধ হলে হয়তোবা তাদের স্বার্থ হাসিল হবে। আরো বলেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আমার আপনার সন্তান শিক্ষা গ্রহণ করবে এটাই বাস্তবতা তাহলে কেন আপনারা এই বাধা প্রদান করছেন।বন্ধ করে আপনাদের লাভ কি আমরা মনে করি বরং ক্ষতিটাই বেশি কারণ এলাকায় যদি একটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হয় তাহলে ক্ষতি কোথায় হয়তোবা জানারা
মনে করছেন প্রতিষ্ঠানে কোন লাভ নাই একটা সময় দেখা যাবে আজকে আপনার সন্তান না হলে তার সন্তান না হলে তার সন্তান এই প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা গ্রহণ করতে আসবে তখন কি করবেন এটাই বাস্তবতা।বর্তমানে যারা এই সমাজ ব্যবস্থার চাবিকাঠি তানারা কি একটিবার ভেবে দেখে আগামী প্রজন্মের সুব্যবস্থার পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন কেন এই বাধা নিজেদের স্বার্থ হাসিল করবেন সেটা নয় অন্য কোথাও থেকে করেন। কিন্তু একটাই অনুরোধ জানিয়েছেন এলাকাবাসী যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নিয়ে কোন প্রকার
বাধা সৃষ্টি করবেন না। এটাই সকলের প্রতি আকুল আবেদন রইল। এবং এই বিষয়টি কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছেন এলাকাবাসী।





















