১০:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

মাগুরায় কীটনাশকের দোকানে টিন খুলে রাতে চুরির অভিযোগ

বিশেষ প্রতিনিধঃ সুবির ঘোষ।
মাগুরা সদর উপজেলার পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের কাশিনাথপুর সাইন বোর্ডে “মেসার্স হোসেন এন্টার প্রাইজ” সার ও কীটনাশকের দোকানে রাতে টিনের চাল খুলে কীটনাশক ঔষধ চুরির অভিযোগ, প্রায় সাড়ে ৫ লাখ টাকার ক্ষতি।
মাগুরা সদর থানার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মোঃ হোসেন আলী বিশ্বাস (৫৫), পিতা-মোঃ আনছার উদ্দিন বিশ্বাস, সাং-কাশিনাথপুর, থানা-মাগুরা সদর, জেলা-মাগুরা। অজ্ঞাতনামা চোর অথবা চোরেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের এই যে, মাগুরা পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের কাশিনাথপুর সাইন বোর্ড নামক স্থানে “মেসার্স হোসেন এন্টার প্রাইজ” নামে আমার একটি সার কীটনাশকের দোকান আছে। গত ১৩ জুন ২০২৬ তারিখে হোসেন আলী বিশ্বাস দোকানে বেচাকেনা শেষ করে রাত অনুমান ১০.৩০ টার সময় দোকানে তালাবদ্ধ করে বাড়ী চলে যায়। পরের দিন ১৪ জুন সকাল অনুমান ০৬.৩০ টার সময় দোকানের শার্টারের তালা খুলে ভিতরে প্রবেশ করে দেখে, দোকানের মালামাল ছড়ানো ছিটানো এবং দোকানের উপর টিনের চাল খোলা। তখন সে ডাক-চিৎকার দিলে আশেপাশের লোকজন ছুটে আসে। উপস্থিত লোকজনের সামনে দোকানে তল্লাশীকালে দেখে দোকানে থাকা এমিস্টার টপ কীটনাশক ২২ কার্টুন যাহার মূল্য অনুমান ২,০৯,০০০ টাকা, ফিলিয়া কীটনাশক ২ কার্টুন মূল্য অনুমান ৯,৬০০ টাকা, ইনসিপিও কীটনাশক ২ কার্টুন মূল্য অনুমান ২৪,০০০ টাকা, থিয়োভিট কীটনাশক ১১ কার্টুন মূল্য অনুমান ৪৩,৫৬০ টাকা, মিরাভিজ কীটনাশক ১৫ পিচ মূল্য অনুমান ৯,৭৫০ টাকা, জিলটপ ২ কার্টুন মূল্য অনুমান ৮,০০০ টাকা, ভলিয়াম কীটনাশক ৩ কার্টুন মূল্য অনুমান ২২,০০০ টাকা, সাইওন ৫ কার্টুন মূল্য অনুমান ১০,০০০ টাকা এবং ক্যাশ বাক্সে থাকা নগদ ১,০০,০০০ লাখ টাকা চুরি হইয়াছে। গত ১৩ জুন রাত অনুমান ১০.৩০ টার সময় হতে ১৪ জুন তারিখ সকাল অনুমান ০৬.৩০ টার পূর্বে যেকোন সময় অজ্ঞাতনামা চোর বা চোরেরা তার উক্ত দোকানের টিনের চাল ফাঁকা করে ভিতরে প্রবেশ করে বর্নিত কীটনাশক সহ নগদ টাকা সর্বমোট ৫,১৬,৯১০ টাকা চুরি করে নিয়ে যায়। প্রকাশ থাকে যে, উক্ত চুরির কাজে দোকানের ভিতরে চোর বা চোরেরা মই ব্যবহার করে। তখন স্থানীয় নিকটতম লোকজন মিলে অনেক খোঁজাখুঁজি করে চুরি যাওয়া কীটনাশক ও নগদ টাকার সন্ধান সহ ঘটনার সাথে জড়িত চোর বা চোরেদের নাম ঠিকানা সংগ্রহে ব্যর্থ হয়ে স্থানীয় ও পারিবারিক ভাবে আলোচনা করে থানায় এসে অভিযোগ দায়ের করে।
এবিষয়ে হোসেন আলী বিশ্বাস জানান, দোকানে চুরির রাতে ডিউটি ছিলো লেবু ও রজব মোল্লার। তিনি ক্রন্দনরত হতবিহ্বল অবস্থায় বলেন, আমার বিরাট বড় ক্ষতি হয়ে গেছে কীটনাশক ঔষধ সহ ক্যাশবাক্সে থাকা নগদ ১ লাখ টাকা চুরি করেছে, যার পরিমাণ প্রায় সাড়ে ৫ লাখ টাকা। তিনি পুলিশ প্রশাসনের কাছে উক্ত বিষয়টি তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করবার অনুরোধ জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন:

আপডেট সময় ০৮:১২:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
৩ বার পড়া হয়েছে

মাগুরায় কীটনাশকের দোকানে টিন খুলে রাতে চুরির অভিযোগ

আপডেট সময় ০৮:১২:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

বিশেষ প্রতিনিধঃ সুবির ঘোষ।
মাগুরা সদর উপজেলার পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের কাশিনাথপুর সাইন বোর্ডে “মেসার্স হোসেন এন্টার প্রাইজ” সার ও কীটনাশকের দোকানে রাতে টিনের চাল খুলে কীটনাশক ঔষধ চুরির অভিযোগ, প্রায় সাড়ে ৫ লাখ টাকার ক্ষতি।
মাগুরা সদর থানার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মোঃ হোসেন আলী বিশ্বাস (৫৫), পিতা-মোঃ আনছার উদ্দিন বিশ্বাস, সাং-কাশিনাথপুর, থানা-মাগুরা সদর, জেলা-মাগুরা। অজ্ঞাতনামা চোর অথবা চোরেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের এই যে, মাগুরা পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের কাশিনাথপুর সাইন বোর্ড নামক স্থানে “মেসার্স হোসেন এন্টার প্রাইজ” নামে আমার একটি সার কীটনাশকের দোকান আছে। গত ১৩ জুন ২০২৬ তারিখে হোসেন আলী বিশ্বাস দোকানে বেচাকেনা শেষ করে রাত অনুমান ১০.৩০ টার সময় দোকানে তালাবদ্ধ করে বাড়ী চলে যায়। পরের দিন ১৪ জুন সকাল অনুমান ০৬.৩০ টার সময় দোকানের শার্টারের তালা খুলে ভিতরে প্রবেশ করে দেখে, দোকানের মালামাল ছড়ানো ছিটানো এবং দোকানের উপর টিনের চাল খোলা। তখন সে ডাক-চিৎকার দিলে আশেপাশের লোকজন ছুটে আসে। উপস্থিত লোকজনের সামনে দোকানে তল্লাশীকালে দেখে দোকানে থাকা এমিস্টার টপ কীটনাশক ২২ কার্টুন যাহার মূল্য অনুমান ২,০৯,০০০ টাকা, ফিলিয়া কীটনাশক ২ কার্টুন মূল্য অনুমান ৯,৬০০ টাকা, ইনসিপিও কীটনাশক ২ কার্টুন মূল্য অনুমান ২৪,০০০ টাকা, থিয়োভিট কীটনাশক ১১ কার্টুন মূল্য অনুমান ৪৩,৫৬০ টাকা, মিরাভিজ কীটনাশক ১৫ পিচ মূল্য অনুমান ৯,৭৫০ টাকা, জিলটপ ২ কার্টুন মূল্য অনুমান ৮,০০০ টাকা, ভলিয়াম কীটনাশক ৩ কার্টুন মূল্য অনুমান ২২,০০০ টাকা, সাইওন ৫ কার্টুন মূল্য অনুমান ১০,০০০ টাকা এবং ক্যাশ বাক্সে থাকা নগদ ১,০০,০০০ লাখ টাকা চুরি হইয়াছে। গত ১৩ জুন রাত অনুমান ১০.৩০ টার সময় হতে ১৪ জুন তারিখ সকাল অনুমান ০৬.৩০ টার পূর্বে যেকোন সময় অজ্ঞাতনামা চোর বা চোরেরা তার উক্ত দোকানের টিনের চাল ফাঁকা করে ভিতরে প্রবেশ করে বর্নিত কীটনাশক সহ নগদ টাকা সর্বমোট ৫,১৬,৯১০ টাকা চুরি করে নিয়ে যায়। প্রকাশ থাকে যে, উক্ত চুরির কাজে দোকানের ভিতরে চোর বা চোরেরা মই ব্যবহার করে। তখন স্থানীয় নিকটতম লোকজন মিলে অনেক খোঁজাখুঁজি করে চুরি যাওয়া কীটনাশক ও নগদ টাকার সন্ধান সহ ঘটনার সাথে জড়িত চোর বা চোরেদের নাম ঠিকানা সংগ্রহে ব্যর্থ হয়ে স্থানীয় ও পারিবারিক ভাবে আলোচনা করে থানায় এসে অভিযোগ দায়ের করে।
এবিষয়ে হোসেন আলী বিশ্বাস জানান, দোকানে চুরির রাতে ডিউটি ছিলো লেবু ও রজব মোল্লার। তিনি ক্রন্দনরত হতবিহ্বল অবস্থায় বলেন, আমার বিরাট বড় ক্ষতি হয়ে গেছে কীটনাশক ঔষধ সহ ক্যাশবাক্সে থাকা নগদ ১ লাখ টাকা চুরি করেছে, যার পরিমাণ প্রায় সাড়ে ৫ লাখ টাকা। তিনি পুলিশ প্রশাসনের কাছে উক্ত বিষয়টি তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করবার অনুরোধ জানিয়েছেন।