০৯:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

ঈদুল আজহার ছুটিতেও স্কুল খোলা রাখার নির্দেশ, ক্ষুব্ধ অভিভাবক ও শিক্ষকরা

মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
মাদারীপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের এক নোটিশকে কেন্দ্র করে জেলাজুড়ে তীব্র আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সরকারি ঘোষিত ঈদুল আজহার ১৪ দিনের ছুটির মধ্যেও ৭ দিন বিদ্যালয় খোলা রাখার নির্দেশনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিভাবক, শিক্ষক ও সচেতন মহল।

সম্প্রতি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে “শিখন ঘাটতি পূরণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ” শীর্ষক একটি নোটিশ জারি করা হয়। সেখানে ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন বন্ধের মধ্যে ৭ দিন বিদ্যালয় খোলা রেখে শিখন ঘাটতি নিরসনের কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে নোটিশে ভুলবশত “ঈদুল ফিতর” উল্লেখ করা হয়েছে বলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা শুরু হয়েছে।

অভিভাবকদের অভিযোগ, ছোট ছোট শিশুরা সারা বছর ঈদের ছুটির জন্য অপেক্ষা করে। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো, আত্মীয়স্বজনের বাড়ি যাওয়া ও আনন্দ উদযাপনের সময়েই বিদ্যালয় খোলা রাখার সিদ্ধান্ত শিশুদের ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত করবে। অনেকেই এটিকে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের ওপর এক ধরনের অপ্রয়োজনীয় চাপ ও জুলুম বলে মন্তব্য করেছেন।

শিক্ষকদের একাংশও বলছেন, সরকারি ছুটির মধ্যেও বিদ্যালয় খোলা রাখার সিদ্ধান্ত বাস্তবসম্মত নয়। এতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সময় ব্যাহত হবে।

এদিকে নোটিশে একাধিক বানান ও ভাষাগত ভুল নিয়েও ব্যাপক সমালোচনা চলছে। সচেতন মহলের অনেকেই বলছেন, শিক্ষা প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক নোটিশে এমন ভুল অত্যন্ত দুঃখজনক। কেউ কেউ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার দক্ষতা ও শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।

তবে এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন:

আপডেট সময় ০৭:৩৮:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
৩৭ বার পড়া হয়েছে

ঈদুল আজহার ছুটিতেও স্কুল খোলা রাখার নির্দেশ, ক্ষুব্ধ অভিভাবক ও শিক্ষকরা

আপডেট সময় ০৭:৩৮:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
মাদারীপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের এক নোটিশকে কেন্দ্র করে জেলাজুড়ে তীব্র আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সরকারি ঘোষিত ঈদুল আজহার ১৪ দিনের ছুটির মধ্যেও ৭ দিন বিদ্যালয় খোলা রাখার নির্দেশনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিভাবক, শিক্ষক ও সচেতন মহল।

সম্প্রতি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে “শিখন ঘাটতি পূরণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ” শীর্ষক একটি নোটিশ জারি করা হয়। সেখানে ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন বন্ধের মধ্যে ৭ দিন বিদ্যালয় খোলা রেখে শিখন ঘাটতি নিরসনের কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে নোটিশে ভুলবশত “ঈদুল ফিতর” উল্লেখ করা হয়েছে বলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা শুরু হয়েছে।

অভিভাবকদের অভিযোগ, ছোট ছোট শিশুরা সারা বছর ঈদের ছুটির জন্য অপেক্ষা করে। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো, আত্মীয়স্বজনের বাড়ি যাওয়া ও আনন্দ উদযাপনের সময়েই বিদ্যালয় খোলা রাখার সিদ্ধান্ত শিশুদের ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত করবে। অনেকেই এটিকে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের ওপর এক ধরনের অপ্রয়োজনীয় চাপ ও জুলুম বলে মন্তব্য করেছেন।

শিক্ষকদের একাংশও বলছেন, সরকারি ছুটির মধ্যেও বিদ্যালয় খোলা রাখার সিদ্ধান্ত বাস্তবসম্মত নয়। এতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সময় ব্যাহত হবে।

এদিকে নোটিশে একাধিক বানান ও ভাষাগত ভুল নিয়েও ব্যাপক সমালোচনা চলছে। সচেতন মহলের অনেকেই বলছেন, শিক্ষা প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক নোটিশে এমন ভুল অত্যন্ত দুঃখজনক। কেউ কেউ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার দক্ষতা ও শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।

তবে এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।