মাদক সম্রাট মানিক মাঝিকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ, প্রশ্নের মুখে সেনাবাহিনী
বরিশালের গৌরনদীতে শীর্ষ মাদক সম্রাটদের এখনো গ্রেফতার না হওয়ায় জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে ,এর পেছনে কি কোনো অদৃশ্য শক্তি কাজ করছে?
এদিকে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মাদক সম্রাটদের কাছ থেকে অর্থ ও উপঢৌকন গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে।
সেনাবাহিনীর একটি গোপন সূত্র জানায়, বরিশালের গৌরনদী আর্মি ক্যাম্পের ল্যান্স কর্পোরাল আশরাফসহ কয়েকজন সেনাসদস্য, ডিএফআই ও এনএসআই-এর মোট পাঁচজন কর্মকর্তা মিলে মাদক ব্যবসায়ী হিরা মাঝি ও মানিক মাঝির কাছ থেকে মোটা অঙ্কের উৎকোচ গ্রহণ করেছিলেন । বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে এলে সংশ্লিষ্ট পূর্ববর্তী টিমকে বদলি করা হয়। নতুন টিম মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতারে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বলে জানা গেছে।
গোপন সূত্রের আরও জানায়, গত শনিবার সারাদিন সেনাবাহিনীর একটি টিম মাদক সম্রাটদের গ্রেফতারের উদ্দেশ্যে মাঠে সক্রিয় ছিল। সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত মানিক মাঝি ও হিরা মাঝির গতিবিধি রেকি করা হয়।
পশ্চিম কটকস্থলের ফারিহা পার্ক এলাকা থেকে মানিক মাঝি পায়ে হেঁটে বের হওয়ার খবর পেয়ে কটকস্থল স্ট্যান্ডে অবস্থান নেয় সেনাবাহিনীর টিম। পরে রাত দশটার দিকে মানিক মাঝির নিজস্ব লোকের ভ্যানযোগে টরকীর নীলখোলার নিজ বাসার দিকে রওনা হলে পেছনে অনুসরণ করে সেনাবাহিনীর দল।
তবে একাধিকবার হাতের নাগালে পেয়েও‘এই ধরছি, এই ধরছি’ পরিস্থিতির মধ্যে শেষ পর্যন্ত মানিক মাঝিকে গ্রেফতার করতে ব্যর্থ হয় সেনাবাহিনীর টিম। এ ঘটনায় জনেমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, মানিক মাঝি ও হিরা মাঝি বলে বেড়ায় পুলিশের মতন সেনাবাহিনীও তাদের কেনা ! কারন তার পিতা ইঙ্গুল মাঝি সেনা বাহিনীতে চাকুরি করতো, তাই সেনাবাহিনীও তাদের কিছু করবে না ! এঘনায় সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ভৎসনা করতে শোনা গেছে।
অন্যদিকে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে—নির্বাচনী ব্যয় মেটাতে তারা মাদক সম্রাটদের কাছ থেকে চাঁদা গ্রহণ করছেন। সচেতন মহলের আশঙ্কা, এসব কারণেই নির্বিঘ্নে চলছে মাদক ব্যবসা এবং মাদক কারবারিরা গ্রেফতারের বাইরে থেকে যাচ্ছে।

































