০৬:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

কালকিনিতে অন্তঃসত্ত্বা নারীকে মারধর ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ

কালকিনি(মাদারীপুর)প্রতিনিধি:
মাদারীপুরের কালকিনিতে পারিবারিক ও জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক নারী ফাতেমা তুজ জোহরা(৩১)কে মারধর, শ্লীলতাহানির চেষ্টা এবং শারীরিকভাবে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে সাতজনের বিরুদ্ধে কালকিনি থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ আগস্ট বিকেল কালকিনি উপজেলার দক্ষিণ ভবানীপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগে বাদী সালমা বেগম উল্লেখ করেন, তার মেয়ের সঙ্গে অভিযুক্তদের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা ও পারিবারিক বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল। ঘটনার দিন অভিযুক্তরা পেয়ারা পারাকে কেন্দ্র করে তার মেয়ের দেবর দাদন খান বসতবাড়ির সামনে এসে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। একপর্যায়ে দাদন খানের নেতৃত্বে বাদল খান, ময়না বেগম, জসিম খান সহ ৭-৮ জন সংঘবদ্ধ হয়ে তার অন্তঃসত্ত্বা মেয়েকে টেনেহিঁচড়ে বের করে মারধর ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয় এবং তাকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে। পরে আহত অবস্থায় স্বজনরা ফাতেমা তুজ জোহরাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।
এ ঘটনায় ৭ জনকে অভিযুক্ত করে কালকিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার ।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত দাদন খানের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
কালকিনি থানার ওসি জহিরুল আলম জানান, অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন:

আপডেট সময় ০৫:৪৪:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
২ বার পড়া হয়েছে

কালকিনিতে অন্তঃসত্ত্বা নারীকে মারধর ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ

আপডেট সময় ০৫:৪৪:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬

কালকিনি(মাদারীপুর)প্রতিনিধি:
মাদারীপুরের কালকিনিতে পারিবারিক ও জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক নারী ফাতেমা তুজ জোহরা(৩১)কে মারধর, শ্লীলতাহানির চেষ্টা এবং শারীরিকভাবে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে সাতজনের বিরুদ্ধে কালকিনি থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ আগস্ট বিকেল কালকিনি উপজেলার দক্ষিণ ভবানীপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগে বাদী সালমা বেগম উল্লেখ করেন, তার মেয়ের সঙ্গে অভিযুক্তদের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা ও পারিবারিক বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল। ঘটনার দিন অভিযুক্তরা পেয়ারা পারাকে কেন্দ্র করে তার মেয়ের দেবর দাদন খান বসতবাড়ির সামনে এসে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। একপর্যায়ে দাদন খানের নেতৃত্বে বাদল খান, ময়না বেগম, জসিম খান সহ ৭-৮ জন সংঘবদ্ধ হয়ে তার অন্তঃসত্ত্বা মেয়েকে টেনেহিঁচড়ে বের করে মারধর ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয় এবং তাকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে। পরে আহত অবস্থায় স্বজনরা ফাতেমা তুজ জোহরাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।
এ ঘটনায় ৭ জনকে অভিযুক্ত করে কালকিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার ।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত দাদন খানের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
কালকিনি থানার ওসি জহিরুল আলম জানান, অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।