১২:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

মাদারীপুরে হত্যা মামলার জেরে আসামিপক্ষের ৪টি বসতঘর ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ

মাদারীপুর  জেলা প্রতিনিধি:
মাদারীপুরে আব্বাস চৌধুরী (৪৫) হত্যাকান্ডের জেরে আসামিপক্ষের ৪টি বসতঘর ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। পুরুষশূণ্য থাকায় রোববার রাতে ডাসার উপজেলার বালিগ্রাম ইউনিয়নের খাতিয়াল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ডাসার উপজেলার খাতিয়াল গ্রামের আবুল জমাদ্দারের সঙ্গে একই এলাকার শহীদ মাতুব্বার ও আব্বাস চৌধুরীর সঙ্গে বিরোধ চলে আসছে। এরই জেরে ১৪ জানুয়ারি দুপুরে আব্বাস চৌধুরীকে কুপিয়ে জখম করলে গুরতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানী ঢাকার একটি বেসরকারি হাসাপাতালে প্রেরণ করা হলে ১৮ জানুয়ারি দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় সে। এ ঘটনায় নিহতের বোন সাহিনুর বেগম বাদী হয়ে ৩০ জনের নাম মামলা করেন। মামলার পরে এলাকাছাড়া আসামিপক্ষ। এই সুযোগে ওই এলাকার মৃত করম শেখের ছেলেদের ৪টি বসতঘর ভাংচুর ও লুটপাট করার অভিযোগে ওঠে বাদীপক্ষের লোকজনের বিরুদ্ধে। খবর পেয়ে সোমবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেছে পুলিশ। আশ্বাস দেয়া হয়েছে ব্যবস্থা গ্রহনের।
করম শেখের স্ত্রী ফুলমালা বেগম বলেন, ‘হত্যাকান্ডে আমরা জড়িত না থাকলেও আমাদেরকে আসামি দেয়া হয়েছে। মামলা হলে আমার ছেলেরা কেউই বাড়িতে থাকে না। প্রতিশোধ নিতে তালাবদ্ধ ঘরে ঢুকে ভাংচুর চালায় নিহত আব্বাসের লোকজন। লুটপাট করে সবকিছুই নিয়ে যায়। আমি এই ঘটনার বিচার চাই।’
মামলার বাদী সাহিনুর বেগম বলেন, ‘আমাদের লোকজন কেউই কারো বাড়িঘরে হামলা বা ভাংচুর করেনি। লুটপাটও করেন। হত্যাকান্ডের ঘটনা থেকে বাঁচতে তারা আমাদের নামে মিথ্যা অভিযোগ দিচ্ছে।’
মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘আব্বাস চৌধুরী হত্যাকান্ডে বেশ কয়েকজন আসামি গ্রেফতার হয়েছে। বাকিদের ধরতে চলছে অভিযান। এই ঘটনায় আসামিপক্ষের বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ থানায় লিখিত পাওয়া গেলে তদন্তপূর্বক আইনী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।’

নিউজটি শেয়ার করুন:

আপডেট সময় ১০:০৮:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
১০ বার পড়া হয়েছে

মাদারীপুরে হত্যা মামলার জেরে আসামিপক্ষের ৪টি বসতঘর ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ

আপডেট সময় ১০:০৮:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

মাদারীপুর  জেলা প্রতিনিধি:
মাদারীপুরে আব্বাস চৌধুরী (৪৫) হত্যাকান্ডের জেরে আসামিপক্ষের ৪টি বসতঘর ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। পুরুষশূণ্য থাকায় রোববার রাতে ডাসার উপজেলার বালিগ্রাম ইউনিয়নের খাতিয়াল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ডাসার উপজেলার খাতিয়াল গ্রামের আবুল জমাদ্দারের সঙ্গে একই এলাকার শহীদ মাতুব্বার ও আব্বাস চৌধুরীর সঙ্গে বিরোধ চলে আসছে। এরই জেরে ১৪ জানুয়ারি দুপুরে আব্বাস চৌধুরীকে কুপিয়ে জখম করলে গুরতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানী ঢাকার একটি বেসরকারি হাসাপাতালে প্রেরণ করা হলে ১৮ জানুয়ারি দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় সে। এ ঘটনায় নিহতের বোন সাহিনুর বেগম বাদী হয়ে ৩০ জনের নাম মামলা করেন। মামলার পরে এলাকাছাড়া আসামিপক্ষ। এই সুযোগে ওই এলাকার মৃত করম শেখের ছেলেদের ৪টি বসতঘর ভাংচুর ও লুটপাট করার অভিযোগে ওঠে বাদীপক্ষের লোকজনের বিরুদ্ধে। খবর পেয়ে সোমবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেছে পুলিশ। আশ্বাস দেয়া হয়েছে ব্যবস্থা গ্রহনের।
করম শেখের স্ত্রী ফুলমালা বেগম বলেন, ‘হত্যাকান্ডে আমরা জড়িত না থাকলেও আমাদেরকে আসামি দেয়া হয়েছে। মামলা হলে আমার ছেলেরা কেউই বাড়িতে থাকে না। প্রতিশোধ নিতে তালাবদ্ধ ঘরে ঢুকে ভাংচুর চালায় নিহত আব্বাসের লোকজন। লুটপাট করে সবকিছুই নিয়ে যায়। আমি এই ঘটনার বিচার চাই।’
মামলার বাদী সাহিনুর বেগম বলেন, ‘আমাদের লোকজন কেউই কারো বাড়িঘরে হামলা বা ভাংচুর করেনি। লুটপাটও করেন। হত্যাকান্ডের ঘটনা থেকে বাঁচতে তারা আমাদের নামে মিথ্যা অভিযোগ দিচ্ছে।’
মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘আব্বাস চৌধুরী হত্যাকান্ডে বেশ কয়েকজন আসামি গ্রেফতার হয়েছে। বাকিদের ধরতে চলছে অভিযান। এই ঘটনায় আসামিপক্ষের বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ থানায় লিখিত পাওয়া গেলে তদন্তপূর্বক আইনী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।’