০১:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

‌কি হ‌তে পা‌রে প্রথম অ‌ধি‌বেশ‌নে _ _ হেলাল উদ্দিন

জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনই শুরু হতে পারে তীব্র রাজনৈতিক উত্তাপের মধ্য দিয়ে। রাষ্ট্রপতিকে “স্বৈরাচারের দোসর” আখ্যা দিয়ে তাঁর ভাষণ বর্জন করতে পারে জামায়াতে ইসলামী এবং এনসিপিসহ বিরোধী দল।

সংবিধান অনুযায়ী অধিবেশনের শুরুতেই নতুন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হবেন। এরপর রাষ্ট্রপতি তাঁদের শপথ বাক্য পাঠ করাবেন এবং সংসদের উদ্বোধনী ভাষণ দেবেন। কিন্তু সেই ভাষণ ঘিরেই ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক।

অনেকের ধারণা, রাষ্ট্রপতির ভাষণে বিএনপি সরকারের নানা কর্মকাণ্ডের প্রশংসা উঠে আসবে। একই সঙ্গে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে উল্লেখ করার বিষয়টিও থাকতে পারে।

প্রথম দিনেই রাষ্ট্রপতির ভাষণের প্রতিবাদে বিরোধীদল অধিবেশন বর্জন করবে। ফলে সংসদের ভেতরে রাজনৈতিক বাকযুদ্ধ আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বাংলাদেশের সংসদীয় রাজনীতিতে এমন দৃশ্য নতুন নয়। ২০০৯ সালের ২৫ জানুয়ারি নবম জাতীয় সংসদের উদ্বোধনী অধিবেশনে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি প্রফেসর ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের ভাষণ শুরু হলে প্রধান বিরোধী দল বিএনপি তা বর্জন করে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছিল।

বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমদ মনে করিয়ে দিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি কোনো ব্যক্তি নন; তিনি একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। তাই সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির সংসদে ভাষণ দেওয়া একটি বাধ্যতামূলক সাংবিধানিক প্রক্রিয়া।

তবে রাজনৈতিক বাস্তবতা ভিন্ন কথা বলছে। প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীসহ কয়েকটি দল রাষ্ট্রপতির ভাষণের বিরোধিতা করছে। তারা রাষ্ট্রপতিকে “স্বৈরাচারের সহযোগী” মনে করে এবং তাঁর ভাষণ দেয়ার অধিকার নিয়েই প্রশ্ন তুলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন:

আপডেট সময় ০৯:৩৩:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
২ বার পড়া হয়েছে

‌কি হ‌তে পা‌রে প্রথম অ‌ধি‌বেশ‌নে _ _ হেলাল উদ্দিন

আপডেট সময় ০৯:৩৩:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনই শুরু হতে পারে তীব্র রাজনৈতিক উত্তাপের মধ্য দিয়ে। রাষ্ট্রপতিকে “স্বৈরাচারের দোসর” আখ্যা দিয়ে তাঁর ভাষণ বর্জন করতে পারে জামায়াতে ইসলামী এবং এনসিপিসহ বিরোধী দল।

সংবিধান অনুযায়ী অধিবেশনের শুরুতেই নতুন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হবেন। এরপর রাষ্ট্রপতি তাঁদের শপথ বাক্য পাঠ করাবেন এবং সংসদের উদ্বোধনী ভাষণ দেবেন। কিন্তু সেই ভাষণ ঘিরেই ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক।

অনেকের ধারণা, রাষ্ট্রপতির ভাষণে বিএনপি সরকারের নানা কর্মকাণ্ডের প্রশংসা উঠে আসবে। একই সঙ্গে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে উল্লেখ করার বিষয়টিও থাকতে পারে।

প্রথম দিনেই রাষ্ট্রপতির ভাষণের প্রতিবাদে বিরোধীদল অধিবেশন বর্জন করবে। ফলে সংসদের ভেতরে রাজনৈতিক বাকযুদ্ধ আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বাংলাদেশের সংসদীয় রাজনীতিতে এমন দৃশ্য নতুন নয়। ২০০৯ সালের ২৫ জানুয়ারি নবম জাতীয় সংসদের উদ্বোধনী অধিবেশনে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি প্রফেসর ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের ভাষণ শুরু হলে প্রধান বিরোধী দল বিএনপি তা বর্জন করে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছিল।

বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমদ মনে করিয়ে দিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি কোনো ব্যক্তি নন; তিনি একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। তাই সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির সংসদে ভাষণ দেওয়া একটি বাধ্যতামূলক সাংবিধানিক প্রক্রিয়া।

তবে রাজনৈতিক বাস্তবতা ভিন্ন কথা বলছে। প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীসহ কয়েকটি দল রাষ্ট্রপতির ভাষণের বিরোধিতা করছে। তারা রাষ্ট্রপতিকে “স্বৈরাচারের সহযোগী” মনে করে এবং তাঁর ভাষণ দেয়ার অধিকার নিয়েই প্রশ্ন তুলছে।