কৈশোরের স্মৃতির টানে আড়পাড়া সরকারি আইডিয়াল হাই স্কুলে ২০০৫ ব্যাচের ঈদ পুনর্মিলন অনুষ্ঠিত ২০২৬
বিশেষ প্রতিনিধি: সুবির ঘোষ।
“কৈশোরের স্মৃতির মেলবন্ধনে,
এসো সবাই স্মৃতির টানে”
—এই আবেগঘন স্লোগানকে সামনে রেখে মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলার আড়পাড়া সরকারি আইডিয়াল হাই স্কুলে জাঁকজমকপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হলো ২০০৫ সালের এসএসসি ব্যাচের ‘ঈদ পুনর্মিলন ২০২৬’।
দীর্ঘদিন পর পুরনো বন্ধুদের কাছে পেয়ে উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা। পুরো অনুষ্ঠানটি এক মিলনমেলায় পরিণত হয়, যা শুরু হয়েছিল পরিচিতি পর্বের মাধ্যমে এবং শেষ হয় আকর্ষণীয় র্যাফেল ড্র-এর মধ্য দিয়ে।
অতিথি ও গুণীজনদের স্মৃতিচারণ
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আড়পাড়া সরকারি আইডিয়াল হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক আলী আহসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানকে অলঙ্কৃত করেন:
শ্রী বলরাম মল্লিক (অবসরপ্রাপ্ত গণিত শিক্ষক)
কাবু সহোদেব (ক্রীড়া শিক্ষক)
মোছা: রেকসোনা খাতুন
মোছা: ফেরদৌসী বেগম
আমন্ত্রিত শিক্ষকরা তাঁদের বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যৎ জীবনে আরও সফল হওয়ার পাশাপাশি দেশ ও সমাজের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান।
শিক্ষার্থীদের আবেগঘন বক্তব্য
অনুষ্ঠানে প্রাক্তন ছাত্রদের পক্ষে সংক্ষিপ্ত স্মৃতিচারণ ও বক্তব্য রাখেন:
আল ইমাম রাব্বি, মিলন মল্ল্যা, মিলন শিকদার, রিন্টু সরকার, রেজওয়ান হোসেন এবং মো: মহসিন মোল্ল্যা।
প্রাক্তন ছাত্রীদের পক্ষ থেকে সুনিপুণ ও আবেগঘন বক্তব্য রাখেন অর্পনা রায়। পুরো অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত চমৎকার ও প্রাণবন্তভাবে সঞ্চালনা করেন লিমন ও মো: মহসিন মোল্ল্যা।
মুখরিত প্রাঙ্গণ ও বন্ধুদের মিলনমেলা
কৈশোরের আড্ডাকে পুনরুজ্জীবিত করতে অনুষ্ঠানে ২০০৫ ব্যাচের বহু প্রাক্তন শিক্ষার্থী দূর-দূরান্ত থেকে এসে যোগ দেন।
উপস্থিত ছাত্রদের মধ্যে ছিলেন: মো: আব্দুল্লাহ, আল-মাসুম, মো: আলীনূর, কাজী রাজিবুল ইসলাম, মাসুম বিল্লাহ, সজল শেখ, রাসেল মুন্সি, উজ্জ্বল মুন্সি, আল-আজাদ, টিটু মন্ডল, শরীয়াতুল্লাহ, লিমন, লক্ষণ কুমার মন্ডল, নীরব গাইন, রঞ্জিত পাল, মোহন বিশ্বাস, পরেশ রায়, কিশোর গাইন, শান্তনু সরকার, সুব্রত দরোয়ানি, সুমন বিশ্বাস প্রমুখ।
উপস্থিত ছাত্রীদের মধ্যে ছিলেন: মোছা: কাকলী, মোছা: লিমু, মোছা: শাহিনা, মোছা: লিজা, মোছা: মুন্সি, মোছা: আসমা, মোছা: সালমা, শ্যামলী বিশ্বাস, লাভলী বিশ্বাস, পুরোবি বিশ্বাস প্রমুখ।
বিকেলের দিকে র্যাফেল ড্র-এর পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে আনন্দের এই আয়োজনটি শেষ হয়। তবে বিদায়লগ্নে সবার মনেই ছিল আবার দ্রুতই এমন কোনো আয়োজনে মিলিত হওয়ার গভীর আকুতি।




































