১২:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬

সোজা আঙুলে ঘি না উঠলে?

হেলাল উদ্দিন

হেলাল উদ্দিন:
“সোজা আঙুলে ঘি না উঠলে প্রয়োজনে আঙুল বাঁকা করতে হবে। প্রয়োজনে আবার রাজপথে রক্ত দেবো, জীবন দেবো।” —জামায়াতের শীর্ষ নেতার এই হুঁশিয়ারির পরও ৫ দফা দাবির একটিও মানা হয়নি।

কিন্তু কেন মানা হয়নি? অনেকে বলছেন, ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনকে ঠেকানোর জন্য কৌশল এর অংশ এটি। তাহলে কি আগামীকাল রাজধানীতে কিছু একটা হবে?

ধারণা করা হচ্ছে, হুঁশিয়ারি দেয়া দলগুলি একটি ঐক্যবদ্ধ মহা সমাবেশের মাধ্যমে তাদের বিপুল জনশক্তি ও শক্তি প্রদর্শন করবে এবং নতুন করে আলটিমেটাম দেবে।

এমন একটি আল্টিমেটাম যার ফলে ফেব্রুয়ারি নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হবে?

অন্যদিকে ১৩ ই নভেম্বর কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কথিত “ঢাকা লকডাউন” কর্মসূচি? এনিয়ে রাজধানীবাসীর মধ্যে রয়েছে গভীর উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা।

আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকরা চেষ্টা করবে ছোটখাটো মরণ কামড় দেয়ার জন্য। ঢাকার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিচ্ছিন্ন ভাবে বিক্ষোভ প্রদর্শন করলেও সফল হতে পারবে বলে মনে হচ্ছে না।

ঢাকার নাগরিকরা আতঙ্কে, তারা যেন দুই আগুনের মাঝে আটকে পড়েছে। জনগণ চায় শান্তি, রাজনীতিবিদরা চায় প্রদর্শন।

দুই প্রান্তের এই শক্তি-প্রদর্শন যেন এক নতুন অচলাবস্থার পূর্বাভাস দিচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন:

আপডেট সময় ১০:১৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫
২১০ বার পড়া হয়েছে

সোজা আঙুলে ঘি না উঠলে?

আপডেট সময় ১০:১৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫

হেলাল উদ্দিন:
“সোজা আঙুলে ঘি না উঠলে প্রয়োজনে আঙুল বাঁকা করতে হবে। প্রয়োজনে আবার রাজপথে রক্ত দেবো, জীবন দেবো।” —জামায়াতের শীর্ষ নেতার এই হুঁশিয়ারির পরও ৫ দফা দাবির একটিও মানা হয়নি।

কিন্তু কেন মানা হয়নি? অনেকে বলছেন, ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনকে ঠেকানোর জন্য কৌশল এর অংশ এটি। তাহলে কি আগামীকাল রাজধানীতে কিছু একটা হবে?

ধারণা করা হচ্ছে, হুঁশিয়ারি দেয়া দলগুলি একটি ঐক্যবদ্ধ মহা সমাবেশের মাধ্যমে তাদের বিপুল জনশক্তি ও শক্তি প্রদর্শন করবে এবং নতুন করে আলটিমেটাম দেবে।

এমন একটি আল্টিমেটাম যার ফলে ফেব্রুয়ারি নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হবে?

অন্যদিকে ১৩ ই নভেম্বর কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কথিত “ঢাকা লকডাউন” কর্মসূচি? এনিয়ে রাজধানীবাসীর মধ্যে রয়েছে গভীর উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা।

আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকরা চেষ্টা করবে ছোটখাটো মরণ কামড় দেয়ার জন্য। ঢাকার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিচ্ছিন্ন ভাবে বিক্ষোভ প্রদর্শন করলেও সফল হতে পারবে বলে মনে হচ্ছে না।

ঢাকার নাগরিকরা আতঙ্কে, তারা যেন দুই আগুনের মাঝে আটকে পড়েছে। জনগণ চায় শান্তি, রাজনীতিবিদরা চায় প্রদর্শন।

দুই প্রান্তের এই শক্তি-প্রদর্শন যেন এক নতুন অচলাবস্থার পূর্বাভাস দিচ্ছে।