০৯:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

স্বামীর অবর্তমা‌নে স্ত্রীর অ‌নৈ‌তিক কাজ

আমি ক্লাস এইটের একটা মেয়েকে পড়াই। অনেক ভালো মেয়েটা, আমাকে খুব পছন্দ করে। অনেক কথা বলে আমার সাথে। তার ভালোলাগা খারাপলাগা সবই জানায়। মেয়ের বাবা চাকরী করে ঢাকার স্বনামধন্য প্রাইভেট হাসপাতালে। মা সরকারি চাকরিজীবী। মেয়ের বাবার সপ্তাহে ৭ দিনই অফিস করতে হয়। সকাল ৭ টায় বের হন, রাত প্রায় ১২ টায় আসেন। কঠিন জীবন।

ঘটনা হচ্ছে মেয়ের মা সপ্তাহে ৩-৪ দিন অফিস শেষে পুরুষ মানুষ নিয়ে বাসায় আসে। একই না, ভিন্ন ভিন্ন। আমি পড়াই সপ্তাহে ৩দিন, শনি, সোম, বুধ। টাকা নিয়মিত দেয়, আচরণও ভালো। আমি পড়ানো শেষে ২-১ দিন ড্র‍য়িংরুমে লুঙ্গি পরা, খালি গা অবস্থায় সেসব পুরুষদের দেখেছিও। সে কি গল্প, হাসাহাসি।

আমার স্টুডেন্ট ছোট হলেও তার যে বয়স, সবই সে বুঝতে শিখে গেছে। সে প্রায়ই আমার কাছে বলে যে, তার মা নাকি ওদের সাথে মাঝেমধ্যে তার সামনেই অশ্লীল নানান কাজ করে বসে। তারপর দ্রুত বেডরুমে ঢুকে যায় সেই পুরুষের সাথে। সে নাকি দরজায় কান লাগিয়ে শুনেছেও অনেক কিছু।
তার মা নাকি প্রায়ই তাকে ভয় দেখিয়ে, হাত, কান মুচড়িয়ে, চুল টেনে আঘাত দিয়ে কড়া নিষেধ করে যেন তার বাবা কিছু না জানতে পারে। আমার স্টুডেন্ট এখন প্রতিদিনই আমাকে তার মায়ের কুকীর্তির আপডেট দেওয়া শুরু করেছে। ওসব পুরুষদের মধ্যে কেউ কেউ নাকি তাকেও ব্যাড টাচ করে। সে ভয়ে তার মাকে কিছুই বলতে পারে না।

এমন অবস্থায় আমার কি করা উচিত? আমি দুইটা টিউশন করাই। এটা বাদ দিয়ে দিলে মহাবিপদে পড়ে যাবো। আবার দিনের পর দিন বাচ্চা মেয়েটার কষ্ট, ওর কান্না আমাকে শেষ করে দিচ্ছে। আমিও ওর সাথে কেঁদে ফেলেছি বেশ কয়েকদিন। আমার বোন নেই। আমি ওর মুখের দিকে তাকালে খুব কষ্ট হয়, মনে হয় আমার ছোট্ট বোনটিকে এরা তিলে তিলে মেরে ফেলছে। ছোট একটা বোনের ভালোবাসা, তাকে পড়ানো, ভালোমন্দ শেখানোর যে আনন্দ, আমি ওর কাছে পেয়েছি। মাঝেমধ্যে মন চায় ওর মাকে বলি আপনি আপনার মেয়েকে আমার মায়ের কাছে দত্তক দিন, আমরা ওকে মানুষ করবো।

(চলবে)

নিউজটি শেয়ার করুন:

আপডেট সময় ০৯:৫১:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
২৩০ বার পড়া হয়েছে

স্বামীর অবর্তমা‌নে স্ত্রীর অ‌নৈ‌তিক কাজ

আপডেট সময় ০৯:৫১:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

আমি ক্লাস এইটের একটা মেয়েকে পড়াই। অনেক ভালো মেয়েটা, আমাকে খুব পছন্দ করে। অনেক কথা বলে আমার সাথে। তার ভালোলাগা খারাপলাগা সবই জানায়। মেয়ের বাবা চাকরী করে ঢাকার স্বনামধন্য প্রাইভেট হাসপাতালে। মা সরকারি চাকরিজীবী। মেয়ের বাবার সপ্তাহে ৭ দিনই অফিস করতে হয়। সকাল ৭ টায় বের হন, রাত প্রায় ১২ টায় আসেন। কঠিন জীবন।

ঘটনা হচ্ছে মেয়ের মা সপ্তাহে ৩-৪ দিন অফিস শেষে পুরুষ মানুষ নিয়ে বাসায় আসে। একই না, ভিন্ন ভিন্ন। আমি পড়াই সপ্তাহে ৩দিন, শনি, সোম, বুধ। টাকা নিয়মিত দেয়, আচরণও ভালো। আমি পড়ানো শেষে ২-১ দিন ড্র‍য়িংরুমে লুঙ্গি পরা, খালি গা অবস্থায় সেসব পুরুষদের দেখেছিও। সে কি গল্প, হাসাহাসি।

আমার স্টুডেন্ট ছোট হলেও তার যে বয়স, সবই সে বুঝতে শিখে গেছে। সে প্রায়ই আমার কাছে বলে যে, তার মা নাকি ওদের সাথে মাঝেমধ্যে তার সামনেই অশ্লীল নানান কাজ করে বসে। তারপর দ্রুত বেডরুমে ঢুকে যায় সেই পুরুষের সাথে। সে নাকি দরজায় কান লাগিয়ে শুনেছেও অনেক কিছু।
তার মা নাকি প্রায়ই তাকে ভয় দেখিয়ে, হাত, কান মুচড়িয়ে, চুল টেনে আঘাত দিয়ে কড়া নিষেধ করে যেন তার বাবা কিছু না জানতে পারে। আমার স্টুডেন্ট এখন প্রতিদিনই আমাকে তার মায়ের কুকীর্তির আপডেট দেওয়া শুরু করেছে। ওসব পুরুষদের মধ্যে কেউ কেউ নাকি তাকেও ব্যাড টাচ করে। সে ভয়ে তার মাকে কিছুই বলতে পারে না।

এমন অবস্থায় আমার কি করা উচিত? আমি দুইটা টিউশন করাই। এটা বাদ দিয়ে দিলে মহাবিপদে পড়ে যাবো। আবার দিনের পর দিন বাচ্চা মেয়েটার কষ্ট, ওর কান্না আমাকে শেষ করে দিচ্ছে। আমিও ওর সাথে কেঁদে ফেলেছি বেশ কয়েকদিন। আমার বোন নেই। আমি ওর মুখের দিকে তাকালে খুব কষ্ট হয়, মনে হয় আমার ছোট্ট বোনটিকে এরা তিলে তিলে মেরে ফেলছে। ছোট একটা বোনের ভালোবাসা, তাকে পড়ানো, ভালোমন্দ শেখানোর যে আনন্দ, আমি ওর কাছে পেয়েছি। মাঝেমধ্যে মন চায় ওর মাকে বলি আপনি আপনার মেয়েকে আমার মায়ের কাছে দত্তক দিন, আমরা ওকে মানুষ করবো।

(চলবে)