ব্যারিস্টার ফুয়াদকে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন শহীদ সিফাতের পরিবার
জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে ঢাকায় পুলিশের গুলিতে নিহত মুলাদীর হাফেজ শহীদ সিফাত হোসেনের কবর জিয়ারত করেছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি সাধারণ সম্পাদক ও বরিশাল-৩ আসনের ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) তিনি মুলাদী উপজেলার সফিপুর ইউনিয়নে শহীদ হাফেজ সিফাত হোসেনের পরিবারের খোঁজখবর নিতে যান এবং তাঁর কবর জিয়ারত করেন। ব্যারিস্টার ফুয়াদকে কাছে পেয়ে এসময় শহীদ সিফাতের মা-বাবা ও বড়বোন কান্নায় ভেঙে পড়েন। তারা এই হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচারের দাবি জানান। এসময় সেখানে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়।
জবাবে ব্যারিস্টার ফুয়াদ হাফেজ শহীদ সিফাতের আত্মত্যাগ আর শহীদ ওসমান হাদিসহ শতশত শহীদের রেখে যাওয়া আজাদীর লড়াই এবং জীবনের শেষ রক্তবিন্দু থাকা পর্যন্ত ন্যায় ও ইনসাফের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। শহীদ হাফেজ সিফাত হোসেনের কবর জিয়ারতকালে ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদের সাথে এবি পার্টির জেলা ও মহানগর কমিটির সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জি.এম রাব্বী, যুগ্ম-আহবায়ক মেরিন ইঞ্জিনিয়ার সুজন তালুকদার, যুগ্ম-সদস্য সচিব ডাঃ তানভীর আহমেদ, রায়হান উদ্দিন, সদস্য ইঞ্জিনিয়ার সজিব আহমেদ, রাজিব খান, মুলাদী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা মুহাম্মদ আবু সালেহ, সহকারী সেক্রেটারি আবদুল মোতালেব প্রমুখসহ জোটের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, মুলাদীর সফিপুর এলাকার জাহাঙ্গীর হোসেন ও আকলিমা আক্তার দম্পতির হাফেজ সন্তান ১৭ বছরের কিশোর মোঃ সিফাত হোসেন শরীয়তপুরের একটি মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তিনি রাজধানীর পুরান ঢাকার বংশাল এলাকায় পুলিশের গুলিতে শহীদ হন। তিনি ২০০৭ সালের ৫ সেপ্টেম্বর মুলাদীর সফিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর শহীদ গেজেট নম্বর ৭০০। #
































