০৪:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

র‍্যাব থেকে এসআইএফ: নাম বদল নাকি নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নতুন অধ্যায়

ঢাকা, বিশেষ প্রতিনিধি:
দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত ও সমালোচিত এলিট ফোর্স র‍্যাব (Rapid Action Battalion) অবশেষে বিদায় নিচ্ছে। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী র‍্যাব বিলুপ্ত করে গঠন করা হচ্ছে নতুন বাহিনী এসআইএফ (Special Intervention Force)। এই সিদ্ধান্তকে কেউ দেখছেন নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড় সংস্কার হিসেবে, আবার কারও মতে এটি কেবল নাম পরিবর্তনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকতে পারে।
সরকারি সূত্র জানায়, এসআইএফ গঠনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মানবাধিকার, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। নতুন বাহিনীর কার্যক্রম পরিচালিত হবে স্পষ্ট স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (SOP) অনুযায়ী এবং বিচারবহির্ভূত কর্মকাণ্ড এড়াতে বিশেষ নির্দেশনা থাকবে।
র‍্যাব প্রতিষ্ঠার পর সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে কিছু সাফল্য থাকলেও, বিভিন্ন সময় ক্রসফায়ার, গুম ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে দেশি-বিদেশি মহলে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে বাহিনীটি। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক চাপ ও নিষেধাজ্ঞার প্রেক্ষাপটে র‍্যাব সংস্কারের বিষয়টি আরও জোরালো হয়ে ওঠে।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, এসআইএফ যদি সত্যিকার অর্থে একটি নতুন অধ্যায় হতে চায়, তাহলে শুধু নাম নয়—মানসিকতা, প্রশিক্ষণ ও অপারেশনাল কৌশলেও পরিবর্তন আনতে হবে। অন্যথায় এটি জনগণের কাছে ‘পুরোনো কাঠামোয় নতুন নাম’ হিসেবেই বিবেচিত হবে।
সচেতন মহলের প্রত্যাশা, এসআইএফ একটি আধুনিক ও পেশাদার বাহিনী হিসেবে গড়ে উঠবে, যেখানে আইনের শাসন ও নাগরিক অধিকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে। এখন দেখার বিষয়, মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমে নতুন বাহিনী কতটা এই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন:

আপডেট সময় ০২:২৯:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
৩৮ বার পড়া হয়েছে

র‍্যাব থেকে এসআইএফ: নাম বদল নাকি নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নতুন অধ্যায়

আপডেট সময় ০২:২৯:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ঢাকা, বিশেষ প্রতিনিধি:
দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত ও সমালোচিত এলিট ফোর্স র‍্যাব (Rapid Action Battalion) অবশেষে বিদায় নিচ্ছে। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী র‍্যাব বিলুপ্ত করে গঠন করা হচ্ছে নতুন বাহিনী এসআইএফ (Special Intervention Force)। এই সিদ্ধান্তকে কেউ দেখছেন নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড় সংস্কার হিসেবে, আবার কারও মতে এটি কেবল নাম পরিবর্তনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকতে পারে।
সরকারি সূত্র জানায়, এসআইএফ গঠনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মানবাধিকার, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। নতুন বাহিনীর কার্যক্রম পরিচালিত হবে স্পষ্ট স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (SOP) অনুযায়ী এবং বিচারবহির্ভূত কর্মকাণ্ড এড়াতে বিশেষ নির্দেশনা থাকবে।
র‍্যাব প্রতিষ্ঠার পর সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে কিছু সাফল্য থাকলেও, বিভিন্ন সময় ক্রসফায়ার, গুম ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে দেশি-বিদেশি মহলে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে বাহিনীটি। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক চাপ ও নিষেধাজ্ঞার প্রেক্ষাপটে র‍্যাব সংস্কারের বিষয়টি আরও জোরালো হয়ে ওঠে।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, এসআইএফ যদি সত্যিকার অর্থে একটি নতুন অধ্যায় হতে চায়, তাহলে শুধু নাম নয়—মানসিকতা, প্রশিক্ষণ ও অপারেশনাল কৌশলেও পরিবর্তন আনতে হবে। অন্যথায় এটি জনগণের কাছে ‘পুরোনো কাঠামোয় নতুন নাম’ হিসেবেই বিবেচিত হবে।
সচেতন মহলের প্রত্যাশা, এসআইএফ একটি আধুনিক ও পেশাদার বাহিনী হিসেবে গড়ে উঠবে, যেখানে আইনের শাসন ও নাগরিক অধিকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে। এখন দেখার বিষয়, মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমে নতুন বাহিনী কতটা এই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারে।