০৪:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে “কন্যা সাহসীকা” সম্মাননা পেলেন জিয়ানগরের তহমিনা

সোহেল রায়হান, জেলা প্রতিনিধি (পিরোজপুর)

পিরোজপুর জেলার জিয়ানগর উপজেলার ৪নং ইন্দুরকানী সদর ইউনিয়নের ১নং চাড়াখালী গ্রামের আলম হাওলাদারের মেয়ে জিয়ানগর সরকারী সেতারা স্মৃতি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থী তহমিনা আক্তারকে তার পিতা-মাতা তার মতের বিরুদ্ধে বাল্য বিবাহ দিতে চেয়েছে। কিন্তু সে কিছুতেই এ বিবাহ করতে রাজি হয়নি। পরিবারের চাপে অতিষ্ঠ হয়ে বাল্য বিবাহের হাত থেকে রক্ষা পেতে সে গত ১৮ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ শনিবার জিয়ানগর থানায় আশ্রয় নেয়। উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সহায়তায় তার বাল্যবিবাহের কার্যক্রম স্থগিত করা হয় এবং তার পিতা মাতার কাছ থেকে এ বিষয়ে মুচলেকা নেওয়া হয়।

বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে তহমিনা আক্তারের এই সাহসী পদক্ষেপের স্বীকৃতি স্বরূপ বুধবার (২২ এপ্রিল ২০২৬) জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব আবু সাঈদ তাকে “কন্যা সাহসিকা” সম্মাননা স্মারক, সার্টিফিকেট ও তার পড়াশোনা চালিয়ে নেওয়ার জন্য আর্থিক অনুদান প্রদান করেন।

তিনি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে
স্ব স্ব অবস্থান থেকে সংশ্লিষ্ট সকলকে কঠোর অবস্থান নিতে নির্দেশনা প্রদান করেন এবং তহমিনার এমন সাহসী ও প্রতিবাদী পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে তহমিনার মতো এরকম সাহসী পদক্ষেপের মাধ্যমে সকল অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরী মেয়েদের শিক্ষা নিতে এবং প্রশাসনের সহায়তায় প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারলে সারাদেশ থেকে বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ করা সম্ভব বলে মনে করেন সুশীল সমাজ ও বিশেষজ্ঞরা।

নিউজটি শেয়ার করুন:

আপডেট সময় ০১:৩৪:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
২০ বার পড়া হয়েছে

বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে “কন্যা সাহসীকা” সম্মাননা পেলেন জিয়ানগরের তহমিনা

আপডেট সময় ০১:৩৪:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

সোহেল রায়হান, জেলা প্রতিনিধি (পিরোজপুর)

পিরোজপুর জেলার জিয়ানগর উপজেলার ৪নং ইন্দুরকানী সদর ইউনিয়নের ১নং চাড়াখালী গ্রামের আলম হাওলাদারের মেয়ে জিয়ানগর সরকারী সেতারা স্মৃতি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থী তহমিনা আক্তারকে তার পিতা-মাতা তার মতের বিরুদ্ধে বাল্য বিবাহ দিতে চেয়েছে। কিন্তু সে কিছুতেই এ বিবাহ করতে রাজি হয়নি। পরিবারের চাপে অতিষ্ঠ হয়ে বাল্য বিবাহের হাত থেকে রক্ষা পেতে সে গত ১৮ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ শনিবার জিয়ানগর থানায় আশ্রয় নেয়। উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সহায়তায় তার বাল্যবিবাহের কার্যক্রম স্থগিত করা হয় এবং তার পিতা মাতার কাছ থেকে এ বিষয়ে মুচলেকা নেওয়া হয়।

বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে তহমিনা আক্তারের এই সাহসী পদক্ষেপের স্বীকৃতি স্বরূপ বুধবার (২২ এপ্রিল ২০২৬) জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব আবু সাঈদ তাকে “কন্যা সাহসিকা” সম্মাননা স্মারক, সার্টিফিকেট ও তার পড়াশোনা চালিয়ে নেওয়ার জন্য আর্থিক অনুদান প্রদান করেন।

তিনি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে
স্ব স্ব অবস্থান থেকে সংশ্লিষ্ট সকলকে কঠোর অবস্থান নিতে নির্দেশনা প্রদান করেন এবং তহমিনার এমন সাহসী ও প্রতিবাদী পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে তহমিনার মতো এরকম সাহসী পদক্ষেপের মাধ্যমে সকল অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরী মেয়েদের শিক্ষা নিতে এবং প্রশাসনের সহায়তায় প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারলে সারাদেশ থেকে বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ করা সম্ভব বলে মনে করেন সুশীল সমাজ ও বিশেষজ্ঞরা।