১২:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬

চট্টগ্রাম বিশ্ব বিদ্যালয়ের উপমা দত্তের সৎকার সম্পন্ন বাড়িতে শোকের মাতম

বিশেষ প্রতিনিধ: সুবির ঘোষ।

গত ২৯ জানুয়ারি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেনানারি বিভাগের ছাত্রী উপমা দত্তের মরদেহ ৩১ জানুয়ারি তার নিজ বাড়ি মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলার আড়পাড়া পৌঁছানোর পরে সৎকার সম্পন্ন হয়। সকাল ১১ টায় আড়পাড়া শ্মশানে ধর্মীয় রীতিনীতি অনুসরণ করে তার দাফন করা হয়। ভোর ৫ টায় সরকারি এম্বুলেন্সে তার মরদেহ এসে পৌছালে আত্মীয় স্বজনদের মধ্যে চরম শোকের ছায়া নেমে আসে। এ বিষয়ে ইন্দ্রজিৎ মজুমদার বলেন,২৯ জানুয়ারি আনুমানিক রাত ৭টায় সময় একটা নাম্বার থেকে কল আসলে জানতে পারি উপমা অসুস্থ এবং সে হাসপাতালে তখন আমারা
দেখতে চাইলে না করেন।কিন্তু পরে দেখান তার পরে আমরা চট্টগ্রামের উদ্দেশ্য রউনা হয়ে যায় গিয়ে দেখত পায় সে আর জীবিত নাই পরে জানতে পারলাম তাকে নিজ কক্ষের দরজা
ভেঙে উদ্ধার করে হোষ্টেল কর্তৃপক্ষ ও ছাএ ছএীরা হাসপাতালে নিয়ে জান। কি হয়েছে জানতে চাইলে বলেন
গলায় ফাঁস দিয়েছে।

এলাকা সুএে জানা যায় গলায় ফাঁস নিয়ে আত্ম হত্যা করে। এ দিন সে একাই ঐ কক্ষে অবস্থান করছিল। তার এ মৃত্যু নিয়ে চরম রহস্য লুকিয়ে থাকতে পারে এমন কিছু ভাবছে অনেকে। অনেকে মনে করেন কোন প্রেম ঘটিত জটিলতাও থাকতে পারে। তবে অন্য কোন কারণ থাকলেও এখন পর্যন্ত জানা যায়নি। এলাকায় সে খুবই মেধাবী ও সাদাসিধা প্রকৃতির বলে কয়েকজন প্রতিবেশী জানায়। তারা বলেন, আমরা জানি সে ভালো মেয়ে। সে এভাবে মরে যাবে ভাবতেও পারি না। সে মাগুরা সদর উপজেলার সর্বসাংদা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সন্দিপ কুমার দত্তের একমাত্র মেয়ে।

নিউজটি শেয়ার করুন:

আপডেট সময় ০৬:৪৩:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
১৯১ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম বিশ্ব বিদ্যালয়ের উপমা দত্তের সৎকার সম্পন্ন বাড়িতে শোকের মাতম

আপডেট সময় ০৬:৪৩:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারি ২০২৬

বিশেষ প্রতিনিধ: সুবির ঘোষ।

গত ২৯ জানুয়ারি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেনানারি বিভাগের ছাত্রী উপমা দত্তের মরদেহ ৩১ জানুয়ারি তার নিজ বাড়ি মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলার আড়পাড়া পৌঁছানোর পরে সৎকার সম্পন্ন হয়। সকাল ১১ টায় আড়পাড়া শ্মশানে ধর্মীয় রীতিনীতি অনুসরণ করে তার দাফন করা হয়। ভোর ৫ টায় সরকারি এম্বুলেন্সে তার মরদেহ এসে পৌছালে আত্মীয় স্বজনদের মধ্যে চরম শোকের ছায়া নেমে আসে। এ বিষয়ে ইন্দ্রজিৎ মজুমদার বলেন,২৯ জানুয়ারি আনুমানিক রাত ৭টায় সময় একটা নাম্বার থেকে কল আসলে জানতে পারি উপমা অসুস্থ এবং সে হাসপাতালে তখন আমারা
দেখতে চাইলে না করেন।কিন্তু পরে দেখান তার পরে আমরা চট্টগ্রামের উদ্দেশ্য রউনা হয়ে যায় গিয়ে দেখত পায় সে আর জীবিত নাই পরে জানতে পারলাম তাকে নিজ কক্ষের দরজা
ভেঙে উদ্ধার করে হোষ্টেল কর্তৃপক্ষ ও ছাএ ছএীরা হাসপাতালে নিয়ে জান। কি হয়েছে জানতে চাইলে বলেন
গলায় ফাঁস দিয়েছে।

এলাকা সুএে জানা যায় গলায় ফাঁস নিয়ে আত্ম হত্যা করে। এ দিন সে একাই ঐ কক্ষে অবস্থান করছিল। তার এ মৃত্যু নিয়ে চরম রহস্য লুকিয়ে থাকতে পারে এমন কিছু ভাবছে অনেকে। অনেকে মনে করেন কোন প্রেম ঘটিত জটিলতাও থাকতে পারে। তবে অন্য কোন কারণ থাকলেও এখন পর্যন্ত জানা যায়নি। এলাকায় সে খুবই মেধাবী ও সাদাসিধা প্রকৃতির বলে কয়েকজন প্রতিবেশী জানায়। তারা বলেন, আমরা জানি সে ভালো মেয়ে। সে এভাবে মরে যাবে ভাবতেও পারি না। সে মাগুরা সদর উপজেলার সর্বসাংদা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সন্দিপ কুমার দত্তের একমাত্র মেয়ে।