০৮:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট উৎসবমুখর হবে

 

ঢাকা প্রতিনিধিঃ
আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটকে দেশের গণতন্ত্রের জন্য একটি “উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ মহাযজ্ঞ” হিসেবে দেখতে চান প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনের জন্য সরকার সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।

মঙ্গলবার রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “বাংলাদেশের জনগণ ভোটের মাধ্যমে তাদের মতামত প্রকাশে উদগ্রীব। আমরা চাই আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ও গণভোট একটি জাতীয় উৎসবে পরিণত হোক।”

তিনি আরও জানান, ভোটারদের নিরাপত্তা, নির্বিঘ্ন ভোটগ্রহণ এবং সব দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসন সমন্বিতভাবে কাজ করছে। দেশের রাজনৈতিক দলগুলোকেও তিনি শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানান।

নির্বাচন সামনে রেখে সরকারের দায়িত্বশীল ভূমিকার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “এবারের নির্বাচন হবে জনগণের অংশগ্রহণে ও জনগণেরই সিদ্ধান্তে।”

এ ঘোষণার পর রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন উচ্ছ্বাস সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন মহল আশা করছে, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন:

আপডেট সময় ০৪:১৫:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫
১১০ বার পড়া হয়েছে

আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট উৎসবমুখর হবে

আপডেট সময় ০৪:১৫:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫

 

ঢাকা প্রতিনিধিঃ
আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটকে দেশের গণতন্ত্রের জন্য একটি “উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ মহাযজ্ঞ” হিসেবে দেখতে চান প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনের জন্য সরকার সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।

মঙ্গলবার রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “বাংলাদেশের জনগণ ভোটের মাধ্যমে তাদের মতামত প্রকাশে উদগ্রীব। আমরা চাই আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ও গণভোট একটি জাতীয় উৎসবে পরিণত হোক।”

তিনি আরও জানান, ভোটারদের নিরাপত্তা, নির্বিঘ্ন ভোটগ্রহণ এবং সব দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসন সমন্বিতভাবে কাজ করছে। দেশের রাজনৈতিক দলগুলোকেও তিনি শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানান।

নির্বাচন সামনে রেখে সরকারের দায়িত্বশীল ভূমিকার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “এবারের নির্বাচন হবে জনগণের অংশগ্রহণে ও জনগণেরই সিদ্ধান্তে।”

এ ঘোষণার পর রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন উচ্ছ্বাস সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন মহল আশা করছে, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।