০৭:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

মাদারীপুরে ক্ষতিকর জেলি মেশানো ২৫ কেজি চিংড়ি জব্দ ও ধ্বংস

 

মাদারীপুর প্রতিনিধি ॥
মাদারীপুরে অতি মুনাফার আশায় ক্ষতিকর জেলি মেশানো চিংড়ি বিক্রির দায়ে ২৫ কেজি চিংড়ি মাছ জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। পরে জনস্বার্থে জব্দকৃত চিংড়িগুলো ধ্বংস করা হয়।

মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) রাতে সদর উপজেলার মস্তফাপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পরিবহনে অভিযান চালিয়ে এসব জেলি মেশানো চিংড়ি জব্দ করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন সদর উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে একটি দল।

প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে বাজারে চিংড়িতে তিন ধরনের জেলি ব্যবহার করা হচ্ছে—সাধারণ জেলি, ময়দা মিশ্রিত জেলি ও তরল জেলি। এসব জেলি মানবস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। নিয়মিত এসব চিংড়ি গ্রহণে কিডনি, লিভার ও ক্যান্সারসহ নানা জটিল রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জনগণকে সতর্ক করা হয়েছে যাতে চিংড়ি কেনার সময় সতর্কভাবে পরীক্ষা করে দেখা হয় মাছটিতে জেলি মেশানো আছে কিনা। প্রশাসন জানিয়েছে, এ ধরনের ভেজাল বা ক্ষতিকর পণ্য বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন:

আপডেট সময় ১০:৫৬:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫
১৬৩ বার পড়া হয়েছে

মাদারীপুরে ক্ষতিকর জেলি মেশানো ২৫ কেজি চিংড়ি জব্দ ও ধ্বংস

আপডেট সময় ১০:৫৬:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫

 

মাদারীপুর প্রতিনিধি ॥
মাদারীপুরে অতি মুনাফার আশায় ক্ষতিকর জেলি মেশানো চিংড়ি বিক্রির দায়ে ২৫ কেজি চিংড়ি মাছ জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। পরে জনস্বার্থে জব্দকৃত চিংড়িগুলো ধ্বংস করা হয়।

মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) রাতে সদর উপজেলার মস্তফাপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পরিবহনে অভিযান চালিয়ে এসব জেলি মেশানো চিংড়ি জব্দ করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন সদর উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে একটি দল।

প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে বাজারে চিংড়িতে তিন ধরনের জেলি ব্যবহার করা হচ্ছে—সাধারণ জেলি, ময়দা মিশ্রিত জেলি ও তরল জেলি। এসব জেলি মানবস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। নিয়মিত এসব চিংড়ি গ্রহণে কিডনি, লিভার ও ক্যান্সারসহ নানা জটিল রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জনগণকে সতর্ক করা হয়েছে যাতে চিংড়ি কেনার সময় সতর্কভাবে পরীক্ষা করে দেখা হয় মাছটিতে জেলি মেশানো আছে কিনা। প্রশাসন জানিয়েছে, এ ধরনের ভেজাল বা ক্ষতিকর পণ্য বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।