০১:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

ড.ইউনুস”র প্রতিষ্ঠান থে‌কে ২৩/২৪ অনাদায়ী ২৫০”শ কো‌টি টাকা কর আদায়

আসিফ সোহান :

ডঃ মুহাম্মদ ইউনুস এবং তার নিয়ন্ত্রণাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানসমূহ থেকে ২০২৩ এর জুলাই থেকে ২০২৪ এর মে নাগাদ অনাদায়ী কর আদায় করা হয়েছে দুইশত আটাশ কোটি তিন লক্ষ তিরাশি হাজার দুইশত আটত্রিশ টাকা। একের পর এক রীট পিটিশন দায়ের করে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে রাষ্ট্রকে এই কর থেকে বঞ্চিত করে আসছিল ডঃ ইউনুস।

আইনী লড়াইয়ের মাধ্যমেই এই কর আদায় করা হয়েছে। বিদ্যমান সকল মামলা সমূহ আইনীভাবে সমাধান করা গেলে আরও অন্তত পক্ষে বারশো কোটি টাকা আদায় করা সম্ভব হত, যা হতো রাষ্ট্রের সম্পদ, জনগণের সম্পদ।

কিন্তু আপনারা জানেন, ৫ ই আগষ্ট পরবর্তী সময়ে মেটিক্যুলাস ডিজাইনের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করেই গ্রামীণ কল্যাণের ৬৬৬ কোটি টাকা কর প্রদানের রায় বাতিল করেছে ডঃ ইউনুস। একই সাথে প্রত্যাহার করেছে চলমান অন্যান্য সকল মামলাসমূহও। এমনকি নিজের প্রতিষ্ঠানসমূহকে দিয়েছে কর অব্যাহতি।

দুদকের যে মামলায় ডঃ ইউনুসের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয়া হয়েছিলো সেই মামলাটিও প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে ডঃ ইউনুসের ক্ষমতা দখলের পর পরই। সেই মামলা যদি ভিত্তিহীনই হতো তাহলে ডঃ ইউনুস নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে সেই মামলা আদালতে লড়লেন না কেন? আইন আদালত তো এখন সবই তাদের দখলে! শ্রম আদালতের মামলাসমূহই কেন নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে সুরাহা করা হলো না?

(ডঃ ইউনুস এবং তার প্রতিষ্ঠানসমূহ থেকে কর আদায়ের কিছু প্রমাণ সংযুক্ত করা হলো)

নিউজটি শেয়ার করুন:

আপডেট সময় ০৫:৪৭:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
৪০৬ বার পড়া হয়েছে

ড.ইউনুস”র প্রতিষ্ঠান থে‌কে ২৩/২৪ অনাদায়ী ২৫০”শ কো‌টি টাকা কর আদায়

আপডেট সময় ০৫:৪৭:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

আসিফ সোহান :

ডঃ মুহাম্মদ ইউনুস এবং তার নিয়ন্ত্রণাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানসমূহ থেকে ২০২৩ এর জুলাই থেকে ২০২৪ এর মে নাগাদ অনাদায়ী কর আদায় করা হয়েছে দুইশত আটাশ কোটি তিন লক্ষ তিরাশি হাজার দুইশত আটত্রিশ টাকা। একের পর এক রীট পিটিশন দায়ের করে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে রাষ্ট্রকে এই কর থেকে বঞ্চিত করে আসছিল ডঃ ইউনুস।

আইনী লড়াইয়ের মাধ্যমেই এই কর আদায় করা হয়েছে। বিদ্যমান সকল মামলা সমূহ আইনীভাবে সমাধান করা গেলে আরও অন্তত পক্ষে বারশো কোটি টাকা আদায় করা সম্ভব হত, যা হতো রাষ্ট্রের সম্পদ, জনগণের সম্পদ।

কিন্তু আপনারা জানেন, ৫ ই আগষ্ট পরবর্তী সময়ে মেটিক্যুলাস ডিজাইনের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করেই গ্রামীণ কল্যাণের ৬৬৬ কোটি টাকা কর প্রদানের রায় বাতিল করেছে ডঃ ইউনুস। একই সাথে প্রত্যাহার করেছে চলমান অন্যান্য সকল মামলাসমূহও। এমনকি নিজের প্রতিষ্ঠানসমূহকে দিয়েছে কর অব্যাহতি।

দুদকের যে মামলায় ডঃ ইউনুসের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয়া হয়েছিলো সেই মামলাটিও প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে ডঃ ইউনুসের ক্ষমতা দখলের পর পরই। সেই মামলা যদি ভিত্তিহীনই হতো তাহলে ডঃ ইউনুস নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে সেই মামলা আদালতে লড়লেন না কেন? আইন আদালত তো এখন সবই তাদের দখলে! শ্রম আদালতের মামলাসমূহই কেন নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে সুরাহা করা হলো না?

(ডঃ ইউনুস এবং তার প্রতিষ্ঠানসমূহ থেকে কর আদায়ের কিছু প্রমাণ সংযুক্ত করা হলো)