অবশেষে মো:পুরে জোড়া খুনের সফল অভিযান
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ফ্ল্যাটে মা ও মেয়েকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত গৃহকর্মী আয়েশাকে ঝালকাঠি থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তদন্তে পাওয়া কিছু গুরুত্বপূর্ণ ও ভয়ংকর তথ্য আপাতত তদন্তের স্বার্থে প্রকাশ করা হয়নি; তদন্ত শেষে জানানো হবে।
জুবায়ের জুয়েল রানা,আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং পুরো মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ টিম অক্লান্ত পরিশ্রম করে এ অভিযান সফল করেন ।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে— চুরির অপবাদ দিয়ে দেহ তল্লাশির অভিযোগ করায় সে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। কারণটি অবিশ্বাস্য, অমানবিক এবং কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
আয়েশার গলায় পোড়া দাগ ছিল— আর এই বিশেষ দাগই তাকে শনাক্ত করতে পুলিশকে সবচেয়ে বেশি সহায়তা করেছে। বোরকা পরে চলাফেরা করায় মুখ পরিষ্কারভাবে কেউ দেখেনি, এমনকি সিসিটিভিতেও স্পষ্ট ছবি ধরা পড়েনি।
নিয়োগের সময় আয়েশা বলেছিল— তার গ্রামের বাড়ি রংপুর, জেনেভা ক্যাম্পে চাচা-চাচির সঙ্গে থাকে। বাবা-মা আগুনে পুড়ে মারা গেছেন, শরীরেও সেই আগুনে পোড়ার কিছু ক্ষত রয়েছে।
এই মানবিক গল্প শুনেই নিহত লায়লা আফরোজ অসহায় ভেবে তাকে চাকরি দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই দয়ার মূল্য দিতে তো দূরের কথা— এই নির্মম নারী লায়লা আফরোজকে ৩০ বার এবং তার মেয়েকে ৬ বার কুপিয়ে অকল্পনীয় নৃশংসতায় হত্যা করেছে।
হত্যার সময় ধস্তাধস্তিতে তার হাত কেটে যায়, আর সেই কারণেই হাতে ছিল ব্যান্ডেজ।
গ্রেপ্তারের জন্য প্রশাসনকে ধন্যবাদ।
তবে আফসোস একটাই— এই ‘সাইকো জানোয়ারটির’ ফাঁসি হবে না।
কারণ, বাংলাদেশের ইতিহাসে এখনো কোনো নারী খুনির ফাঁসি কার্যকর হয়নি।



























