০৯:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

শিশু আছিয়ার মৃত্যু ঘিরে প্রশ্নের ঝড়

সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী আছিয়া আক্তারের (১৩) মরদেহ রবিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগ থেকে উদ্ধার করা হয়। তার মৃত্যু ঘিরে উঠেছে নানা প্রশ্ন—আছিয়া কি ধর্ষণের শিকার হয়েছিল? পারিবারিক কোনো কলহের জের ধরে তাকে হত্যা করা হয়েছে? নাকি এটি আত্মহত্যা? কীভাবে, কখন, কোন পরিস্থিতিতে তার মৃত্যু হলো—এ নিয়ে জনমনে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। ঘটনাটি ব‌রিশা‌লের গৌরনদী।

ইমারজেন্সির দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক ডা. মুনীম বলেন,
“হাসপাতালে আনার আগেই ওই স্কুলছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। ময়নাতদন্ত ছাড়া মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ বলা যাবে না।”

নিহ‌তের বাড়ি থেকে হাসপাতালের দূরত্ব মাত্র ৩-৪ কিলোমিটার। অসুস্থ হলে এত কম দূরত্ব পাড়ি দিতে কতক্ষণ সময় লাগত? তাহলে হাসপাতালে আনার আগেই মৃত্যু হলে, তার আগে কী ঘটেছিল আছিয়ার সঙ্গে—এ প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে এলাকায়।

মৃত আছিয়া গৌরনদী উপজেলার কালনা গ্রামের জামাল আকনের মেয়ে এবং কালনা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।

গৌরনদী মডেল থানার ওসি তুরিকুল ইসলাম জানান,
“খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে। প্রাথমিকভাবে এটি অপমৃত্যু হিসেবে ধরা হয়েছে।”

আছিয়ার বাবা জামাল আকন বাদী হয়ে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করেছেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন:

আপডেট সময় ০১:০০:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫
৯৩ বার পড়া হয়েছে

শিশু আছিয়ার মৃত্যু ঘিরে প্রশ্নের ঝড়

আপডেট সময় ০১:০০:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী আছিয়া আক্তারের (১৩) মরদেহ রবিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগ থেকে উদ্ধার করা হয়। তার মৃত্যু ঘিরে উঠেছে নানা প্রশ্ন—আছিয়া কি ধর্ষণের শিকার হয়েছিল? পারিবারিক কোনো কলহের জের ধরে তাকে হত্যা করা হয়েছে? নাকি এটি আত্মহত্যা? কীভাবে, কখন, কোন পরিস্থিতিতে তার মৃত্যু হলো—এ নিয়ে জনমনে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। ঘটনাটি ব‌রিশা‌লের গৌরনদী।

ইমারজেন্সির দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক ডা. মুনীম বলেন,
“হাসপাতালে আনার আগেই ওই স্কুলছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। ময়নাতদন্ত ছাড়া মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ বলা যাবে না।”

নিহ‌তের বাড়ি থেকে হাসপাতালের দূরত্ব মাত্র ৩-৪ কিলোমিটার। অসুস্থ হলে এত কম দূরত্ব পাড়ি দিতে কতক্ষণ সময় লাগত? তাহলে হাসপাতালে আনার আগেই মৃত্যু হলে, তার আগে কী ঘটেছিল আছিয়ার সঙ্গে—এ প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে এলাকায়।

মৃত আছিয়া গৌরনদী উপজেলার কালনা গ্রামের জামাল আকনের মেয়ে এবং কালনা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।

গৌরনদী মডেল থানার ওসি তুরিকুল ইসলাম জানান,
“খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে। প্রাথমিকভাবে এটি অপমৃত্যু হিসেবে ধরা হয়েছে।”

আছিয়ার বাবা জামাল আকন বাদী হয়ে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করেছেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।