১০:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

দাফ‌নের ১ দি‌ন প‌রে যুবক বা‌ড়ি‌তে

দাফনের ১৭দিন পর এক কিশোরকে জীবিত উদ্ধার!
সিলেটের ওসমানীনগরে ঘটেছে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা। দাফনের ১৭ দিন পর রবিউল ইসলাম নাঈম (১৪) নামে এক কিশোরকে জীবিত উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ তাকে নবিগঞ্জ উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামের এক আত্মীয় বাড়ি থেকে তাকে উদ্ধার করে কুলাউড়া থানা পুলিশ। পরে জবানবন্দির রেকড করার জন্য আদালতে পাঠানো হয়েছে।

উদ্ধারকৃত রবিউল ইসলাম নাঈম উপজেলার গোয়ালা বাজার ইউনিয়নের গদিয়ারচর গ্রামের কণাই মিয়ার ছেলে।

এদিকে উদ্ধারকৃত নাঈম হত্যা মামলায় কারাগারে আছেন প্রধান আসামি বগুড়ার শিবগঞ্জের ব্যবসায়ী বুলবুল ফকির।

বিস্তারিত- ওসমানীনগরের গোয়ালাবাজারের ব্রাহ্মণগ্রাম এলাকায় বুলবুল ফকিরের রেস্টুরেন্টে কাজ করতো নাঈম গত ২৪ জুলাই হঠাৎ নিখোঁজ হয়। নাঈমের মা ছেলেকে নিখোঁজ উল্লেখ করে ওসমনীনগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

৯দিন পর গত ৩ আগস্ট মৌলভীবাজারের কুলাউড়া থানা এলাকায় অজ্ঞাতনামা এক কিশোরের লাশ উদ্ধার হয়।
লাশটি নাঈমের বলে চিহ্নিত করে তার মা। পরে গত ৫ আগস্ট দাফন সম্পন্ন করেন।

তারপর নিহত নাঈমের মা বাদি হয়ে কুলাউড়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঐ মামলায় বুলবুল ফকিরকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সে বর্তমানে কারাগারে আছেন।

এদিকে মামলার তদন্ত করতে গিয়ে কুলাউড়া থানার এস,আই মুস্তাফিজুর রহমান শনিবার নাঈমের আত্মীয় মো. জুবেলের বাড়ি থেকে নাঈমকে উদ্ধার করেন। বেরিয়ে আসে আসল রহস্য। তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, কিশোর নাঈমকে তার আত্মীয় জুবেলের বাড়ি থেকে উদ্ধার করার পর জবানবন্দি নেওয়ার জন্য আদালতে পাঠানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন:

আপডেট সময় ০৫:২৬:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ আগস্ট ২০২৫
১০৪ বার পড়া হয়েছে

দাফ‌নের ১ দি‌ন প‌রে যুবক বা‌ড়ি‌তে

আপডেট সময় ০৫:২৬:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ আগস্ট ২০২৫

দাফনের ১৭দিন পর এক কিশোরকে জীবিত উদ্ধার!
সিলেটের ওসমানীনগরে ঘটেছে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা। দাফনের ১৭ দিন পর রবিউল ইসলাম নাঈম (১৪) নামে এক কিশোরকে জীবিত উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ তাকে নবিগঞ্জ উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামের এক আত্মীয় বাড়ি থেকে তাকে উদ্ধার করে কুলাউড়া থানা পুলিশ। পরে জবানবন্দির রেকড করার জন্য আদালতে পাঠানো হয়েছে।

উদ্ধারকৃত রবিউল ইসলাম নাঈম উপজেলার গোয়ালা বাজার ইউনিয়নের গদিয়ারচর গ্রামের কণাই মিয়ার ছেলে।

এদিকে উদ্ধারকৃত নাঈম হত্যা মামলায় কারাগারে আছেন প্রধান আসামি বগুড়ার শিবগঞ্জের ব্যবসায়ী বুলবুল ফকির।

বিস্তারিত- ওসমানীনগরের গোয়ালাবাজারের ব্রাহ্মণগ্রাম এলাকায় বুলবুল ফকিরের রেস্টুরেন্টে কাজ করতো নাঈম গত ২৪ জুলাই হঠাৎ নিখোঁজ হয়। নাঈমের মা ছেলেকে নিখোঁজ উল্লেখ করে ওসমনীনগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

৯দিন পর গত ৩ আগস্ট মৌলভীবাজারের কুলাউড়া থানা এলাকায় অজ্ঞাতনামা এক কিশোরের লাশ উদ্ধার হয়।
লাশটি নাঈমের বলে চিহ্নিত করে তার মা। পরে গত ৫ আগস্ট দাফন সম্পন্ন করেন।

তারপর নিহত নাঈমের মা বাদি হয়ে কুলাউড়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঐ মামলায় বুলবুল ফকিরকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সে বর্তমানে কারাগারে আছেন।

এদিকে মামলার তদন্ত করতে গিয়ে কুলাউড়া থানার এস,আই মুস্তাফিজুর রহমান শনিবার নাঈমের আত্মীয় মো. জুবেলের বাড়ি থেকে নাঈমকে উদ্ধার করেন। বেরিয়ে আসে আসল রহস্য। তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, কিশোর নাঈমকে তার আত্মীয় জুবেলের বাড়ি থেকে উদ্ধার করার পর জবানবন্দি নেওয়ার জন্য আদালতে পাঠানো হয়েছে।