০৬:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নুরুল ইসলাম,র বিরুদ্ধে সংবা‌দের প্রতিবাদ

ঢাকা :

দীর্ঘদিনের সৎকর্ম র সুনামকে ক্ষুন্ন করার উদ্দেশ্যে সম্প্রতি অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা মোঃ নুরুল ইসলাম(৬৮) এর বিরুদ্ধে অবৈধ উপায়ে সম্পদের পাহাড় গড়ার যে অভিযোগ উঠেছে তা কঠোরভাবে অস্বীকার করেছেন তিনি। মোঃ নুরুল ইসলাম(৬৮) দাবি করেছেন এটি তার পেশাগত সাফল্যে ঈর্ষান্বিত কিছু মহলের উদ্দেশ্য প্রণোদিত মিথ্যাচার ছাড়া আর কিছুই নয়। সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে পরিচিত এই মোঃ নুরুল ইসলাম(৬৮)। আজ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তার অবস্থান স্পষ্ট করেন। দীর্ঘদিনের সৎ চাকরি জীবন ও স্বচ্ছতা অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা মোঃ নুরুল ইসলাম(৬৮) জানান, দীর্ঘ ৩৪ বছর সময় তিনি সুনামের সাথে সরকারি দায়িত্ব পালন করেছেন। একজন উচ্চপদস্থ সহকারি প্রকৌশলী হিসেবে তার বৈধ বেতন- ভাতা এবং অন্যান্য আর্থিক সুবিধা সম্পর্কে সরকারি নীতিমালা সবার জানা।

তিনি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেন, আমি আমার পেশাগত জীবনে কখনো নৈতিকতার প্রশ্নে আপস করিনি। আমার সকল সম্পদ সম্পূর্ণ বৈধ ও স্বচ্ছ। একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে আমি নিয়মিত ভাবে আমার সম্পত্তির হিসাব যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিয়েছি এবং আমার সকল আর্থিক লেনদেন নিয়মিত ভাবে আয়কর ফাইলে প্রতিফলিত হয়। বেতন, ভাতা ও বিনিয়োগে সম্পদের মূল উৎস গুজবের জবাবে মোঃ নুরুল ইসলাম(৬৮) তার সম্পদের প্রধান উৎস গুলো খোলাসা করেন।

তিনি আরো বলেন, দীর্ঘ দিনের বৈধ সরকারি উচ্চ পদের বেতন, বোনাস ও পেনশন সুবিধার সঞ্চয় সহ পারিবারিক পৈতৃক সূত্র থেকেও কিছু সম্পদ পাওয়া ও সরকারি সঞ্চয়পত্র বৈধ বন্ড এবং অনুমোদিত খাতে করা বিনিয়োগ থেকে প্রাপ্ত মুনাফা দিয়েই আমার আজকের বৈধ সম্পত্তি। মোঃ নুরুল ইসলাম(৬৮) জোর দিয়ে বলেন, আমার বিরুদ্ধে অবৈধ উপার্জনের অভিযোগ সম্পূর্ণ অসত্য। কেউ যদি আমার সম্পদের সাথে আমার বৈধ আয়ের কোন অসঙ্গতি প্রমাণ করতে পারে তবে আমি যে কোন শাস্তি মূলক ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে প্রস্তুত। আমার কর্মজীবন কাচের মত স্বচ্ছ। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ চাইলেই আমার চাকরি কালীন সকল নথি ব্যাংকের বিবরণী এবং আয়কর ফাইল খতিয়ে দেখতে পারে।আমার দৃঢ় বিশ্বাস কোন রকম অনিয়ম খুঁজে পাওয়া যাবে না।

তিনি ইস্পষ্টভাবে আরো বলেন, আমি আমার চাকরি জীবনে সম্মানের সহিত চাকরি করেছি।আমি যখন চাকরি থেকে অবসর হই তখন পর্যন্ত আমার আয়-ব্যয়ের সমস্ত হিসাব সরকারি তহবিলে দেওয়া আছে। কিছু হলুদ সাংবাদিক আমার নামে মিথ্যা অপপ্রচার এবং মিথ্যা নিউজ করে আমার কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা দাবি করে। আমি টাকা না দেওয়ার কারনে আমার নামে বিভিন্ন ধরনের ভিত্তিহীন নিউজ প্রচার করে। যে নিউজ গুলো আমার দৈনন্দিন জীবনের সাথে কোন মিল পাওয়া যাবে না।

নিউজটি শেয়ার করুন:

আপডেট সময় ০৯:৪৬:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫
২১২ বার পড়া হয়েছে

নুরুল ইসলাম,র বিরুদ্ধে সংবা‌দের প্রতিবাদ

আপডেট সময় ০৯:৪৬:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫

ঢাকা :

দীর্ঘদিনের সৎকর্ম র সুনামকে ক্ষুন্ন করার উদ্দেশ্যে সম্প্রতি অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা মোঃ নুরুল ইসলাম(৬৮) এর বিরুদ্ধে অবৈধ উপায়ে সম্পদের পাহাড় গড়ার যে অভিযোগ উঠেছে তা কঠোরভাবে অস্বীকার করেছেন তিনি। মোঃ নুরুল ইসলাম(৬৮) দাবি করেছেন এটি তার পেশাগত সাফল্যে ঈর্ষান্বিত কিছু মহলের উদ্দেশ্য প্রণোদিত মিথ্যাচার ছাড়া আর কিছুই নয়। সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে পরিচিত এই মোঃ নুরুল ইসলাম(৬৮)। আজ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তার অবস্থান স্পষ্ট করেন। দীর্ঘদিনের সৎ চাকরি জীবন ও স্বচ্ছতা অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা মোঃ নুরুল ইসলাম(৬৮) জানান, দীর্ঘ ৩৪ বছর সময় তিনি সুনামের সাথে সরকারি দায়িত্ব পালন করেছেন। একজন উচ্চপদস্থ সহকারি প্রকৌশলী হিসেবে তার বৈধ বেতন- ভাতা এবং অন্যান্য আর্থিক সুবিধা সম্পর্কে সরকারি নীতিমালা সবার জানা।

তিনি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেন, আমি আমার পেশাগত জীবনে কখনো নৈতিকতার প্রশ্নে আপস করিনি। আমার সকল সম্পদ সম্পূর্ণ বৈধ ও স্বচ্ছ। একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে আমি নিয়মিত ভাবে আমার সম্পত্তির হিসাব যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিয়েছি এবং আমার সকল আর্থিক লেনদেন নিয়মিত ভাবে আয়কর ফাইলে প্রতিফলিত হয়। বেতন, ভাতা ও বিনিয়োগে সম্পদের মূল উৎস গুজবের জবাবে মোঃ নুরুল ইসলাম(৬৮) তার সম্পদের প্রধান উৎস গুলো খোলাসা করেন।

তিনি আরো বলেন, দীর্ঘ দিনের বৈধ সরকারি উচ্চ পদের বেতন, বোনাস ও পেনশন সুবিধার সঞ্চয় সহ পারিবারিক পৈতৃক সূত্র থেকেও কিছু সম্পদ পাওয়া ও সরকারি সঞ্চয়পত্র বৈধ বন্ড এবং অনুমোদিত খাতে করা বিনিয়োগ থেকে প্রাপ্ত মুনাফা দিয়েই আমার আজকের বৈধ সম্পত্তি। মোঃ নুরুল ইসলাম(৬৮) জোর দিয়ে বলেন, আমার বিরুদ্ধে অবৈধ উপার্জনের অভিযোগ সম্পূর্ণ অসত্য। কেউ যদি আমার সম্পদের সাথে আমার বৈধ আয়ের কোন অসঙ্গতি প্রমাণ করতে পারে তবে আমি যে কোন শাস্তি মূলক ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে প্রস্তুত। আমার কর্মজীবন কাচের মত স্বচ্ছ। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ চাইলেই আমার চাকরি কালীন সকল নথি ব্যাংকের বিবরণী এবং আয়কর ফাইল খতিয়ে দেখতে পারে।আমার দৃঢ় বিশ্বাস কোন রকম অনিয়ম খুঁজে পাওয়া যাবে না।

তিনি ইস্পষ্টভাবে আরো বলেন, আমি আমার চাকরি জীবনে সম্মানের সহিত চাকরি করেছি।আমি যখন চাকরি থেকে অবসর হই তখন পর্যন্ত আমার আয়-ব্যয়ের সমস্ত হিসাব সরকারি তহবিলে দেওয়া আছে। কিছু হলুদ সাংবাদিক আমার নামে মিথ্যা অপপ্রচার এবং মিথ্যা নিউজ করে আমার কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা দাবি করে। আমি টাকা না দেওয়ার কারনে আমার নামে বিভিন্ন ধরনের ভিত্তিহীন নিউজ প্রচার করে। যে নিউজ গুলো আমার দৈনন্দিন জীবনের সাথে কোন মিল পাওয়া যাবে না।