০২:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬

রাজনৈতিক অঙ্গনে বাড়ছে আলোচনার ঝড়

সেনা কর্মকর্তাদের গ্রেফতার ইস্যুতে সরব ‘আপ বাংলাদেশ’

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজনীতির মাঠে নতুন করে সক্রিয় হয়ে উঠেছে প্রেশার গ্রুপ ‘UP Bangladesh (আপ বাংলাদেশ)’। সংগঠনটি দাবি করছে, “জুলাইয়ের আন্দোলনের চেতনা এখনো বেঁচে আছে”, এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সর্বদা সোচ্চার থাকবে তারা।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, “যখনই ন্যায়, নীতি ও ইনসাফের সঙ্গে প্রতারণা হবে, তখনই আমরা জেগে উঠব।” বর্তমানে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও অ্যাক্টিভিস্টরা ‘আপ বাংলাদেশ’-এর কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করছেন বলেও সংগঠনটির দাবি।

ওয়ারেন্টভুক্ত সেনা কর্মকর্তাদের গ্রেফতার ও “সেইফ এক্সিট” ইস্যুতে সাম্প্রতিক সময়ে সোশ্যাল মিডিয়া ও রাজপথে সবচেয়ে সরব ছিল ‘আপ বাংলাদেশ’। সংগঠনটি জানিয়েছে, তাদের লক্ষ্য সংখ্যার চেয়ে কার্যকারিতা ও প্রভাব বজায় রাখা।

এক বিবৃতিতে ‘আপ বাংলাদেশ’ বলেছে, “বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আমাদের হৃদয়ে শীতল হাওয়া দান করেছে। সেনা হেফাজত থেকে আটক কর্মকর্তাদের অবিলম্বে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হস্তান্তরের দাবি জানাই।”

এর আগে সংগঠনটি উত্তরায় মামুন নামের এক নেতাকর্মীর গুমের প্রতিবাদে মানববন্ধন, শাহবাগে বিক্ষোভ, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবি ও “জুলাই ঘোষণাপত্র” বাস্তবায়নের দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে।

‘আপ বাংলাদেশ’-এর পক্ষ থেকে বলা হয়, “এই প্রচেষ্টা জনগণের কাছে পৌঁছানোর এবং জুলাইকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য। সমালোচনা বা আপত্তি আমাদের দমাতে পারবে না। ন্যায়, নীতি ও ইনসাফের রাজনীতি করতেই আমরা এসেছি।”

সংগঠনটি স্বল্প সময়ের নোটিশে আয়োজিত বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া দেশজুড়ে বিপ্লবী সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে।

শেষে সংগঠনটির পক্ষ থেকে স্লোগান দেওয়া হয় —
“আপ বাংলাদেশ জিন্দাবাদ, বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।”

নিউজটি শেয়ার করুন:

আপডেট সময় ০৪:২৯:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫
৩৫৬ বার পড়া হয়েছে

রাজনৈতিক অঙ্গনে বাড়ছে আলোচনার ঝড়

সেনা কর্মকর্তাদের গ্রেফতার ইস্যুতে সরব ‘আপ বাংলাদেশ’

আপডেট সময় ০৪:২৯:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজনীতির মাঠে নতুন করে সক্রিয় হয়ে উঠেছে প্রেশার গ্রুপ ‘UP Bangladesh (আপ বাংলাদেশ)’। সংগঠনটি দাবি করছে, “জুলাইয়ের আন্দোলনের চেতনা এখনো বেঁচে আছে”, এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সর্বদা সোচ্চার থাকবে তারা।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, “যখনই ন্যায়, নীতি ও ইনসাফের সঙ্গে প্রতারণা হবে, তখনই আমরা জেগে উঠব।” বর্তমানে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও অ্যাক্টিভিস্টরা ‘আপ বাংলাদেশ’-এর কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করছেন বলেও সংগঠনটির দাবি।

ওয়ারেন্টভুক্ত সেনা কর্মকর্তাদের গ্রেফতার ও “সেইফ এক্সিট” ইস্যুতে সাম্প্রতিক সময়ে সোশ্যাল মিডিয়া ও রাজপথে সবচেয়ে সরব ছিল ‘আপ বাংলাদেশ’। সংগঠনটি জানিয়েছে, তাদের লক্ষ্য সংখ্যার চেয়ে কার্যকারিতা ও প্রভাব বজায় রাখা।

এক বিবৃতিতে ‘আপ বাংলাদেশ’ বলেছে, “বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আমাদের হৃদয়ে শীতল হাওয়া দান করেছে। সেনা হেফাজত থেকে আটক কর্মকর্তাদের অবিলম্বে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হস্তান্তরের দাবি জানাই।”

এর আগে সংগঠনটি উত্তরায় মামুন নামের এক নেতাকর্মীর গুমের প্রতিবাদে মানববন্ধন, শাহবাগে বিক্ষোভ, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবি ও “জুলাই ঘোষণাপত্র” বাস্তবায়নের দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে।

‘আপ বাংলাদেশ’-এর পক্ষ থেকে বলা হয়, “এই প্রচেষ্টা জনগণের কাছে পৌঁছানোর এবং জুলাইকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য। সমালোচনা বা আপত্তি আমাদের দমাতে পারবে না। ন্যায়, নীতি ও ইনসাফের রাজনীতি করতেই আমরা এসেছি।”

সংগঠনটি স্বল্প সময়ের নোটিশে আয়োজিত বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া দেশজুড়ে বিপ্লবী সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে।

শেষে সংগঠনটির পক্ষ থেকে স্লোগান দেওয়া হয় —
“আপ বাংলাদেশ জিন্দাবাদ, বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।”