০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

র‍্যাবের গাড়ি, প্রাক্তন জবি ছাত্রী ও ‘জিনের ভর’, সেই ঘটনায় যা সামনে এল

মমতাজ আরা বর্ষা নামের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) প্রাক্তন যে ছাত্রীকে আটক করতে গিয়ে র‍্যাব বিতর্ক তৈরি করেছিল, তিনি এখন আত্মগোপনে।

বর্ষার রুমমেট, জবির শিক্ষক ও জকসুর নেতারা বলছেন, ঘটনার পর তিনি মেস ছেড়েছেন। তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। মুঠোফোনও বন্ধ। বর্ষার বোনও বলেছেন, পরিবারের সঙ্গে বর্ষার যোগাযোগ নেই।

এদিকে পুলিশ বলছে, ‘জিনে ভর করার’ নাম করে র‍্যাবের এক কর্মকর্তার স্ত্রীর কাছ থেকে অর্থ ও সোনার গয়না হাতিয়ে নেওয়ার একটি মামলায় বর্ষা এজাহারভুক্ত আসামি। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করতে গিয়েছিল র‍্যাব।

অবশ্য কেউ কেউ বলছেন, যেভাবে সাদাপোশাকে মাইক্রোবাসে করে র‍্যাব বর্ষাকে আটক করতে গেছে, সেটা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে। বর্ষার রুমমেটরা র‍্যাবের বিরুদ্ধে গালাগালির অভিযোগও করেছেন।

বর্ষা জবির নাট্যকলা বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি ২০২৩ সালে স্নাতকোত্তর শেষ করেছেন বলে তাঁর দুজন সহপাঠী জানিয়েছেন।

রাজধানীর পুরান ঢাকার কলতাবাজার এলাকায় সাততলা ভবনের সপ্তম তলার একটি মেসে থাকতেন বর্ষা। ৬ সেপ্টেম্বর তাঁকে আটক করতে যায় র‍্যাব।

বর্ষার রুমমেট ও মেস ভবনের নিরাপত্তাকর্মী বলেন, সকাল পৌনে সাতটার দিকে এই মেসের সামনে যায় একটি মাইক্রোবাস। সেখানে তিন ব্যক্তি ছিলেন। তাঁদের পরনে র‍্যাবের পোশাক ছিল না। ওই তিন ব্যক্তি ভবনের নিরাপত্তাকর্মীকে নিয়ে মেসে যান এবং দরজা খুলতে বলেন। তবে মেসের বাসিন্দারা শুরুতে দরজা খোলেননি।

রুমমেটরা আরও বলেন, গালিগালাজ ও ধাক্কাধাক্কির মুখে তাঁরা দরজা খুলতে বাধ্য হন। এরপর ওই তিন ব্যক্তি মেসে ঢুকে তল্লাশি শুরু করেন। কিছু না পেয়ে তাঁরা বর্ষাকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন:

আপডেট সময় ০৩:৫৯:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
০ বার পড়া হয়েছে

র‍্যাবের গাড়ি, প্রাক্তন জবি ছাত্রী ও ‘জিনের ভর’, সেই ঘটনায় যা সামনে এল

আপডেট সময় ০৩:৫৯:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মমতাজ আরা বর্ষা নামের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) প্রাক্তন যে ছাত্রীকে আটক করতে গিয়ে র‍্যাব বিতর্ক তৈরি করেছিল, তিনি এখন আত্মগোপনে।

বর্ষার রুমমেট, জবির শিক্ষক ও জকসুর নেতারা বলছেন, ঘটনার পর তিনি মেস ছেড়েছেন। তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। মুঠোফোনও বন্ধ। বর্ষার বোনও বলেছেন, পরিবারের সঙ্গে বর্ষার যোগাযোগ নেই।

এদিকে পুলিশ বলছে, ‘জিনে ভর করার’ নাম করে র‍্যাবের এক কর্মকর্তার স্ত্রীর কাছ থেকে অর্থ ও সোনার গয়না হাতিয়ে নেওয়ার একটি মামলায় বর্ষা এজাহারভুক্ত আসামি। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করতে গিয়েছিল র‍্যাব।

অবশ্য কেউ কেউ বলছেন, যেভাবে সাদাপোশাকে মাইক্রোবাসে করে র‍্যাব বর্ষাকে আটক করতে গেছে, সেটা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে। বর্ষার রুমমেটরা র‍্যাবের বিরুদ্ধে গালাগালির অভিযোগও করেছেন।

বর্ষা জবির নাট্যকলা বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি ২০২৩ সালে স্নাতকোত্তর শেষ করেছেন বলে তাঁর দুজন সহপাঠী জানিয়েছেন।

রাজধানীর পুরান ঢাকার কলতাবাজার এলাকায় সাততলা ভবনের সপ্তম তলার একটি মেসে থাকতেন বর্ষা। ৬ সেপ্টেম্বর তাঁকে আটক করতে যায় র‍্যাব।

বর্ষার রুমমেট ও মেস ভবনের নিরাপত্তাকর্মী বলেন, সকাল পৌনে সাতটার দিকে এই মেসের সামনে যায় একটি মাইক্রোবাস। সেখানে তিন ব্যক্তি ছিলেন। তাঁদের পরনে র‍্যাবের পোশাক ছিল না। ওই তিন ব্যক্তি ভবনের নিরাপত্তাকর্মীকে নিয়ে মেসে যান এবং দরজা খুলতে বলেন। তবে মেসের বাসিন্দারা শুরুতে দরজা খোলেননি।

রুমমেটরা আরও বলেন, গালিগালাজ ও ধাক্কাধাক্কির মুখে তাঁরা দরজা খুলতে বাধ্য হন। এরপর ওই তিন ব্যক্তি মেসে ঢুকে তল্লাশি শুরু করেন। কিছু না পেয়ে তাঁরা বর্ষাকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।