চ্যাম্পিয়নস লিগে দাপুটে বার্সা, ফেইনুর্ডের জালে ৫ গোল
📌 চ্যাম্পিয়নস লিগে দাপুটে বার্সা, ফেইনুর্ডের জালে ৫ গোল
────────────────────────────────────────────────────────────
রাফিনিয়ার জোড়া গোল ও লামিনে ইয়ামালের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ফেইনুর্ডকে ৫-১ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের নতুন মৌসুম শুরু করেছে বার্সেলোনা।চ্যাম্পিয়নস লিগের নতুন অভিযানে দারুণ শুরু করেছে বার্সেলোনা। ঘরের মাঠে ফেইনুর্ডকে ৫-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে হান্সি ফ্লিকের দল। পুরো ম্যাচজুড়েই বলের দখল ও আক্রমণে আধিপত্য দেখানো বার্সার হয়ে জোড়া গোল করেছেন রাফিনিয়া। একটি করে গোল পেয়েছেন লামিনে ইয়ামাল ও গ্যাব্রিয়েল জেসুস। অপর গোলটি এসেছে কারিম আদেয়েমির কাছ থেকে।ম্যাচ শুরুর মাত্র আড়াই মিনিটেই বার্সাকে এগিয়ে দেন রাফিনিয়া। লামিনে ইয়ামালের পাস পেয়ে বক্সে ঢুকে দুই ডিফেন্ডারকে দারুণ ভঙ্গিতে কাটিয়ে বল জালে পাঠান ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। এরপরও আক্রমণের ধার কমেনি বার্সার। বক্সের বাইরে থেকে বাঁকানো দুর্দান্ত শটে ওপরের কোণায় বল পাঠিয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন আদেয়েমি।প্রথমার্ধে ফেইনুর্ড পাল্টা আক্রমণে এক-দুবার সুযোগ তৈরি করলেও বার্সার রক্ষণকে বড় পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি। গোলরক্ষক হোয়ান গার্সিয়াকে কয়েকটি ভালো সেভ করতে হয়েছে। মাঝমাঠে রদ্রি, পেদ্রি ও দানি ওলমোর নিয়ন্ত্রণে ম্যাচের গতি নিজেদের হাতে রাখে স্বাগতিকরা। ইয়ামাল ও জোয়াও কানসেলোও একক প্রচেষ্টায় গোলের কাছাকাছি গিয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত ২-০ ব্যবধানেই বিরতিতে যায় বার্সা।দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ফেইনুর্ড কিছুটা ওপরে উঠে চাপ তৈরির চেষ্টা করলেও বার্সার নিয়ন্ত্রণে কোনো পরিবর্তন আসেনি। এক ঘণ্টা পূর্ণ হওয়ার আগেই ব্যবধান ৩-০ করেন রাফিনিয়া। পেদ্রির অসাধারণ পাস থেকে বল পেয়ে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন তিনি।এরপর ফেইনুর্ড একটি গোল পেলেও তা অফসাইডের কারণে বাতিল হয়। বার্সা বলের দখল ধরে রেখে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্ত করে। শেষদিকে ইয়ামালও গোলের খাতায় নাম লেখান। ফ্রি-কিক থেকে দুর্দান্ত শটে চলতি মৌসুমে ইউরোপের মঞ্চে নিজের গোলের খাতা খোলেন এই তরুণ তারকা।ফেইনুর্ড শেষ পর্যন্ত সেম স্টেইনের হেডে একটি গোল শোধ করে। তবে ম্যাচের শেষ মুহূর্তে আবারও গোল করে বার্সা। ইয়ামালের ক্রস থেকে হেডে নিজের বার্সা ক্যারিয়ারের প্রথম গোল করেন গ্যাব্রিয়েল জেসুস। ফলে ৫-১ গোলের বড় জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে কাতালান ক্লাবটি।চ্যাম্পিয়নস লিগের শুরুতেই এমন দাপুটে পারফরম্যান্স বার্সার আত্মবিশ্বাস আরও বাড়াবে। আক্রমণভাগের ধার, মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ ও ইয়ামাল-রাফিনিয়ার দুর্দান্ত বোঝাপড়ায় নতুন মৌসুমে নিজেদের ইউরোপ-সেরার অন্যতম দাবিদার হিসেবেই জানান দিল ফ্লিকের দল।


