০২:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

বরিশালের ১৯ ইউনিয়নে প্রশাসক নিয়োগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল
বরিশালের তিন উপজেলার ১৯টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের মেয়াদ শেষ হওয়ায় পরিষদের কার্যক্রম সচল রাখতে প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে জেলা প্রশাসন। এর মধ্যে বাকেরগঞ্জ উপজেলার ১১টি, উজিরপুরের ৪টি এবং মুলাদী উপজেলার ৪টি ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে।
রোববার (৯ আগস্ট) বরিশাল জেলা প্রশাসকের স্থানীয় সরকার শাখার উপ-পরিচালক উপমা ফারিশার স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এসব ইউনিয়ন পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়। বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের এসব পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
যেসব ইউনিয়নে প্রশাসক নিয়োগ
বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরাদি, দাড়িয়াল, দুধল, ফরিদপুর, কবাই, নলুয়া, কলসকাঠি, গারুরিয়া, ভরপাশা, বঙ্গশ্রী ও পাদ্রিশিবপুর ইউনিয়ন পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
উজিরপুর উপজেলার সাতলা, জল্লা, শোলক ও বড়াকোঠা ইউনিয়ন এবং মুলাদী উপজেলার মুলাদী, নাজিরপুর, কাজীর চর ও চরকালেখান ইউনিয়ন পরিষদেও প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা জানান, স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ (সংশোধিত ২০২৪) অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদের জনসেবা ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখতেই মেয়াদোত্তীর্ণ এসব ইউনিয়ন পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছে।
প্রশাসকরা দায়িত্ব পালনকালে ইউনিয়ন পরিষদের দৈনন্দিন প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি নাগরিক সেবা, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও অন্যান্য সেবামূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবেন। স্থানীয় সরকার বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী পরিষদের নিয়মিত কার্যক্রম যাতে কোনোভাবেই ব্যাহত না হয়, সে লক্ষ্যেই এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বাকেরগঞ্জ, উজিরপুর ও মুলাদী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তারা জানান, প্রশাসক নিয়োগের ফলে মেয়াদোত্তীর্ণ ইউনিয়ন পরিষদগুলোর কার্যক্রমে ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে এবং সাধারণ মানুষ নিয়মিত নাগরিক সেবা পাবেন।
তবে বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরামদ্দি, দুর্গাপাশা ও নিয়ামতি ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ এখনো শেষ হয়নি। ফলে এসব ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যানরাই নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।
সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, প্রশাসক নিয়োগের মাধ্যমে তিন উপজেলার ১৯টি ইউনিয়নে প্রশাসনিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে এবং স্থানীয় জনগণের নাগরিক সেবা ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড নির্বিঘ্নে অব্যাহত থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন:

আপডেট সময় ১২:৪৯:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
১ বার পড়া হয়েছে

বরিশালের ১৯ ইউনিয়নে প্রশাসক নিয়োগ

আপডেট সময় ১২:৪৯:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল
বরিশালের তিন উপজেলার ১৯টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের মেয়াদ শেষ হওয়ায় পরিষদের কার্যক্রম সচল রাখতে প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে জেলা প্রশাসন। এর মধ্যে বাকেরগঞ্জ উপজেলার ১১টি, উজিরপুরের ৪টি এবং মুলাদী উপজেলার ৪টি ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে।
রোববার (৯ আগস্ট) বরিশাল জেলা প্রশাসকের স্থানীয় সরকার শাখার উপ-পরিচালক উপমা ফারিশার স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এসব ইউনিয়ন পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়। বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের এসব পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
যেসব ইউনিয়নে প্রশাসক নিয়োগ
বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরাদি, দাড়িয়াল, দুধল, ফরিদপুর, কবাই, নলুয়া, কলসকাঠি, গারুরিয়া, ভরপাশা, বঙ্গশ্রী ও পাদ্রিশিবপুর ইউনিয়ন পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
উজিরপুর উপজেলার সাতলা, জল্লা, শোলক ও বড়াকোঠা ইউনিয়ন এবং মুলাদী উপজেলার মুলাদী, নাজিরপুর, কাজীর চর ও চরকালেখান ইউনিয়ন পরিষদেও প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা জানান, স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ (সংশোধিত ২০২৪) অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদের জনসেবা ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখতেই মেয়াদোত্তীর্ণ এসব ইউনিয়ন পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছে।
প্রশাসকরা দায়িত্ব পালনকালে ইউনিয়ন পরিষদের দৈনন্দিন প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি নাগরিক সেবা, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও অন্যান্য সেবামূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবেন। স্থানীয় সরকার বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী পরিষদের নিয়মিত কার্যক্রম যাতে কোনোভাবেই ব্যাহত না হয়, সে লক্ষ্যেই এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বাকেরগঞ্জ, উজিরপুর ও মুলাদী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তারা জানান, প্রশাসক নিয়োগের ফলে মেয়াদোত্তীর্ণ ইউনিয়ন পরিষদগুলোর কার্যক্রমে ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে এবং সাধারণ মানুষ নিয়মিত নাগরিক সেবা পাবেন।
তবে বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরামদ্দি, দুর্গাপাশা ও নিয়ামতি ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ এখনো শেষ হয়নি। ফলে এসব ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যানরাই নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।
সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, প্রশাসক নিয়োগের মাধ্যমে তিন উপজেলার ১৯টি ইউনিয়নে প্রশাসনিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে এবং স্থানীয় জনগণের নাগরিক সেবা ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড নির্বিঘ্নে অব্যাহত থাকবে।