০৯:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

কৃষকের ন্যায্যমূল্য ও বাজারনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে: জহির উদ্দিন স্বপন

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কৃষির উন্নয়ন, বাজারব্যবস্থায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং আধুনিক প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহারে কৃষককে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেছেন, কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের বাজারনিরাপত্তা, ন্যায্যমূল্য ও ন্যায্য মুনাফা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে মধ্যস্বত্বভোগী ও সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য থেকে কৃষকদের সুরক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে ‘কৃষি ইকোসিস্টেমের উন্নয়ন: ব্লকচেইনের মাধ্যমে সংযোগ, অর্থায়ন ও সহজীকরণ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, আধুনিক কৃষিবাণিজ্যের বিভিন্ন পর্যায়ে যুক্ত মধ্যস্বত্বভোগী ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সমস্যা নিয়ে আলোচনা হলেও মূল উৎপাদক কৃষকের সমস্যা অনেক সময় যথাযথ গুরুত্ব পায় না। অথচ কৃষকই পুরো কৃষিব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দু। কৃষকের স্বার্থ উপেক্ষা করে কৃষি খাতের টেকসই উন্নয়ন এবং বাজারব্যবস্থার কার্যকর সংস্কার সম্ভব নয়।

তিনি আরও বলেন, প্রযুক্তির যত উন্নয়নই হোক না কেন, মানুষের মৌলিক খাদ্যচাহিদা পূরণে কৃষির গুরুত্ব কখনো কমবে না। দেশের প্রায় ৪২ থেকে ৪৫ শতাংশ মানুষ এখনো কৃষির ওপর নির্ভরশীল। তা সত্ত্বেও সমাজের অনেক ক্ষেত্রে কৃষিপেশাকে অবহেলার চোখে দেখা হয়। দেশের অর্থনীতি ও খাদ্যনিরাপত্তায় কৃষি এবং কৃষকের কৌশলগত গুরুত্ব যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।

কৃষিবান্ধব সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা বলেন, কৃষি ও কৃষকের কল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষকদের সহায়তায় ‘কৃষক কার্ড’ প্রবর্তনসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছেন। দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে কৃষি খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

কৃষি খাতের দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ ও নীতিনির্ধারকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আধুনিক প্রযুক্তির সুফল সরাসরি কৃষকের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করার পাশাপাশি পচনশীল কৃষিপণ্য সংরক্ষণে আধুনিক অবকাঠামো গড়ে তুলতে হবে। বাজারব্যবস্থায় স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠা এবং কৃষক যাতে মধ্যস্বত্বভোগী কিংবা সিন্ডিকেটের কারণে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সে জন্য কার্য

নিউজটি শেয়ার করুন:

আপডেট সময় ০৮:০৮:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
১ বার পড়া হয়েছে

কৃষকের ন্যায্যমূল্য ও বাজারনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে: জহির উদ্দিন স্বপন

আপডেট সময় ০৮:০৮:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কৃষির উন্নয়ন, বাজারব্যবস্থায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং আধুনিক প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহারে কৃষককে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেছেন, কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের বাজারনিরাপত্তা, ন্যায্যমূল্য ও ন্যায্য মুনাফা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে মধ্যস্বত্বভোগী ও সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য থেকে কৃষকদের সুরক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে ‘কৃষি ইকোসিস্টেমের উন্নয়ন: ব্লকচেইনের মাধ্যমে সংযোগ, অর্থায়ন ও সহজীকরণ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, আধুনিক কৃষিবাণিজ্যের বিভিন্ন পর্যায়ে যুক্ত মধ্যস্বত্বভোগী ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সমস্যা নিয়ে আলোচনা হলেও মূল উৎপাদক কৃষকের সমস্যা অনেক সময় যথাযথ গুরুত্ব পায় না। অথচ কৃষকই পুরো কৃষিব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দু। কৃষকের স্বার্থ উপেক্ষা করে কৃষি খাতের টেকসই উন্নয়ন এবং বাজারব্যবস্থার কার্যকর সংস্কার সম্ভব নয়।

তিনি আরও বলেন, প্রযুক্তির যত উন্নয়নই হোক না কেন, মানুষের মৌলিক খাদ্যচাহিদা পূরণে কৃষির গুরুত্ব কখনো কমবে না। দেশের প্রায় ৪২ থেকে ৪৫ শতাংশ মানুষ এখনো কৃষির ওপর নির্ভরশীল। তা সত্ত্বেও সমাজের অনেক ক্ষেত্রে কৃষিপেশাকে অবহেলার চোখে দেখা হয়। দেশের অর্থনীতি ও খাদ্যনিরাপত্তায় কৃষি এবং কৃষকের কৌশলগত গুরুত্ব যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।

কৃষিবান্ধব সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা বলেন, কৃষি ও কৃষকের কল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষকদের সহায়তায় ‘কৃষক কার্ড’ প্রবর্তনসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছেন। দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে কৃষি খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

কৃষি খাতের দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ ও নীতিনির্ধারকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আধুনিক প্রযুক্তির সুফল সরাসরি কৃষকের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করার পাশাপাশি পচনশীল কৃষিপণ্য সংরক্ষণে আধুনিক অবকাঠামো গড়ে তুলতে হবে। বাজারব্যবস্থায় স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠা এবং কৃষক যাতে মধ্যস্বত্বভোগী কিংবা সিন্ডিকেটের কারণে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সে জন্য কার্য